কাঠগড়ায় ওসি প্রদীপের ফোনালাপ, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার – Corporate Sangbad

83



নিজস্ব প্রতিবেদক : অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আদালতের কাঠগড়ায় ফোনালাপের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি ফরিদুল আলম চৌধুরী তাদের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ফরিদুল আলম বলেন, ‌একজন আসামি কীভাবে কাঠগড়ায় মুঠোফোনে কথা বলতে পারেন? দায়িত্বরতরা কী করছিল? বিষয়টি বিজ্ঞ বিচারকের নজরে আনবো। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর এসআই সাহাবুদ্দিনসহ চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বাকিদের নাম জানা যায়নি। এ ঘটনায় ওসি প্রদীপকে সতর্ক করেছেন আদালত।

গত সোমবার কক্সবাজার জেলার দায়রা জজ আদালতে মামলার প্রথম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে শুনানির সময় কাঠগড়ায় মোবাইল ফোনে কথা বলেন বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ। এ কথা বলার একটা ছবি এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় রীতিমতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় চলছে।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আদালত কক্ষের কাটগড়ার ভেতরে হাঁটু গেড়ে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছেন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি আশপাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় দায়িত্বরত এক পুলিশ কনস্টেবল প্রদীপকে মোবাইল ফোনটি সরবরাহ করেছিলেন।

এর আগে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য দিচ্ছেন মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। কীভাবে ভাইকে হত্যা করা হয়, সেই বর্ণনা আদালতে উপস্থাপন করছিলেন তিনি। বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তখন ১৫ আসামি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টের গাড়ি তল্লাশি কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব ১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম।





Source link