করোনার উৎস অনুসন্ধানে ডব্লিউএইচওর শেষ চেষ্টা

79


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) উৎস অনুসন্ধানে নতুন একটি টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন দ্য অরিজিন অব নভেল প্যাথোজেনস (এসএজিও) টাস্কফোর্সে ডব্লিউএইচও ২৬ বিশেষজ্ঞকে মনোনীত করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

নতুন এই টাস্কফোর্স গঠন করোনার উৎস অনুসন্ধানের শেষ চেষ্টা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

দেড় বছরেরও বেশি সময় আগে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ভাইরাসের উৎস নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। উহানের সামুদ্রিক মাছের বাজারে প্রাণী থেকে মানুষে ভাইরাসটি বাহিত হয়েছে না কোনো গবেষণাগার থেকে দুর্ঘটনাবশত ছড়িয়েছে তা পর্যালোচনা করে দেখবে এসএজিও।

এর আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে করোনার উৎস অনুসন্ধানের দায়িত্ব পাওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আরেকটি দল চীনে গিয়েছিল। তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছিল, ভাইরাসটি সম্ভবত বাদুড় থেকে মানুষে ছড়িয়েছে কিন্তু বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও কাজ করা দরকার।

পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস জানান, চীনের স্বচ্ছতার অভাবের কারণে তদন্তটি ব্যাহত হয়েছে।

প্রস্তাবিত এসএজিও টাস্কফোর্সের সদস্যদের মধ্যে আগের টিমের হয়ে চীন পরিদর্শন করে আসা ছয় বিশেষজ্ঞও রয়েছেন। করোনাভাইরাস ছাড়াও এসএজিও উচ্চ ঝুঁকির অন্য রোগজীবাণুর উৎপত্তি নিয়েও অনুসন্ধান চালাবে।

ডা. টেড্রোস বলেন, ভবিষ্যৎ প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের জন্য নতুন রোগজীবাণু কোথা থেকে আসছে তা বোঝা দরকার।

এ ব্যাপারে ডব্লিউএইচও’র জরুরি অবস্থা বিষয়ক পরিচালক মাইক রায়ান বলেন, এসএজিওর কাজ ভাইরাসটি উৎস বোঝার শেষ সুযোগ হতে পারে।

এদিকে, মহামারির প্রথম মাসে সংগ্রহ করা লাখো ব্ল্যাড ব্যাংক নমুনা পরীক্ষা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন, সিএনএন এমন প্রতিবেদনে প্রকাশ করার পরপরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন টাস্কফোর্সের ঘোষণা এল বলে জানিয়েছে বিবিসি।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের জেনেভা দফতরে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত চেন শু এসএজিওর কাজকে রাজনীতিকীকরণ করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

সারাবাংলা/একেএম





Source link