এই মহামারিতে বাড়িতে যেসব প্রস্তুতি রাখবেন

54


লাইফস্টাইল ডেস্ক

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে চলছে করোনা মহামারি। বর্তমানে অনেক দেশেই করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই এই সময়ে সবসময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন। করোনার সংক্রমণ যেহেতু মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় তাই শুধু নিজের সতর্ক থাকলেই চলবে না, পরিবারের অন্যান্য সদস্য এমনকি প্রতিবেশীরাও সুস্থ আছে কি না, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কি না সে বিষয়ে নজর দিতে হবে। সবার আগে বাড়িতে কিছু বিষয়ে প্রস্তুতি রাখা উচিত।

১. এই মহামারিতে অবশ্যই আপনার ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণ মাস্কের সরবরাহ রাখতে হবে। সেটা কাপড়ের মাস্ক কিংবা সার্জিক্যাল মাস্ক দুটোই হতে পারে। বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই দুই লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক অথবা এক লেয়ারের কাপড়ের মাস্কের সঙ্গে সার্জিক্যাল মাস্ক পরে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাইরে যান।

২. এই সময়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো থার্মোমিটার। প্রতিদিন অন্তত একবার বাড়ির সবার তাপমাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। কেউ শরীরে ব্যাথা, জ্বর বা ক্লান্তি অনুভব করলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে তার তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে অবশ্যই পরবর্তী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। মনে রাখবেন, এই মহামারিতে সব জ্বরই করোনা, যতক্ষণ না পর্যন্ত এটি অন্য কোন রোগ হিসেবে প্রমাণিত হয়।

৩. তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ যে জিনিসটি আপনার ঘরে রাখা অবশ্য প্রয়োজনীয় তা হলো পালস অক্সিমিটার। যারা বাড়িতে থেকে করোনার চিকিৎসা নিচ্ছেন বা হোম-কোয়ারেন্টাইনে আছেন তাদের জন্য মূলত এটি প্রয়োজন। কারো পালস অক্সিমিটারের রিডিং ৯৩ শতাংশের নিচে আসলে,  তাকে অবশ্যই নিকটস্থ কোভিড কেয়ার সেন্টার বা হাসপাতালে নিতে হবে। বাড়িতে যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের উচিত প্রতি ছয় ঘণ্টা পরপর শরীরের তামপাত্রা ও অক্সিজেনের স্যাচুরেশন নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং চিকিৎসককে তা জানানো।

৪. যারা বাড়িতে থেকে করোনার চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং যাদের অক্সিজেন মাত্রা ঠিক আছে তাদের অবশ্যই ঘরেই ছয় মিনিটের হাঁটার পরীক্ষা করা উচিত। ঘরের ভেতর ছয় মিনিট হাঁটার আগে ও পরে অক্সিজেন মাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। হাঁটার পর যদি অক্সিজেন লেভেল কমে যায় তাহলে এটি শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া বা হাইপোক্সিয়ার লক্ষণ। এমন হলে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সারাবাংলা/এসএসএস





Source link