ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাকে ফিরিয়ে আনতে পুলিশের ই-মেইল

93


ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নয়াদিল্লিকে একটি ই-মেইল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।

পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার ভারতের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) এই চিঠি দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। তবে এখনো পর্যন্ত ই-মেইলে কোনো জবাব আসেনি।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, বনানী থানার পরিদর্শক কীভাবে কোচবিহারে গ্রেফতার হয়েছেন, সে সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানতে চাই। আমরা ইতোমধ্যে এই পুলিশ কর্মকর্তাকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি। যদিও এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, যা ভারতের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তির বিষয়ে সামঞ্জস্য রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতার ওপর নির্ভর করবে।

এদিকে বনানী থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক শেখ সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক পর্যায়েও জোর তৎপরতা অব্যাহত আছে। বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে আনার জন্য ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে দ্রুতই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

প্রসঙ্গত, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ ওঠার পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানা আত্মগোপন করেন। তারই অংশ হিসেবে ৩ সেপ্টেম্বর ভারত সীমান্ত পাড়ি দিয়ে নেপাল যাওয়ার সময় বিএসএফের হাতে গ্রেপ্তার হন বনানী থানার এই পুলিশ পরিদর্শক। তার বিরুদ্ধে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ টাকা দিয়ে তিনি অভিজাত এলাকাসহ রাজধানীতে একাধিক বাড়ি-গাড়ি ফ্লাট এমনকি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রাথমিকভাবে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোহেল রানাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।



Source link