আপনার অতিথির মনে তৈরি হওয়া কিছু সম্ভাব্য প্রশ্নের মডেল উত্তর তুলে ধরা হলোঃ

0
304

বিঃদ্রঃ যেকোন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পূর্বে আপনি আপনার অতিথির করা প্রশ্নের ধরন যাই হোক না কেন প্রশংসা করবেন। এবং প্রথমে একমত হয়ে আলোচনা শুরু করবেন।

আমি এত লোক কোথায় পাব?


সুন্দর প্রশ্ন করেছেন, লোক বা ব্যক্তি ছাড়া কেউতো আর প্রোডাক্ট ক্রয় করবে না। তাই লোক তো লাগবেই, যদি আপনি একসময় লোক না পান তবে তো ব্যবসাই করা যাবে না। কিন্তু মজার ব্যপার হচ্ছে কি, আপনার একা একা এত লোক যোগার করার প্রয়োজন পরবে না। ধরুন আপনার ৩০ জন ব্যক্তি পরিচিত আছে যাদের সাথে আপনি আমাদের কোম্পানীর প্রোডাক্ট নিয়ে আলোচনা করলেন। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর এভারেজ থিওরি অনুযায়ী দেখা যায় এর মধ্যে-
আনুমানিক ১০ জন ব্যক্তির প্রোডাক্টটির প্রয়োজন নাই
আরো ১০ জন ব্যক্তির এই মূহুর্তে ক্রয় করার মত টাকা নাই
বাকি ১০ জন ব্যক্তির প্রোডাক্টটি ক্রয় করার সামর্থ এবং দরকার আছে বিধায় তারা পন্যটি ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই ১০ জনই হচ্ছে আপনার ক্রেতা। এর মধ্যে ১০ জন না হোক ৫ জন তো হবে, ৫ জন না হোক মাত্র ২ জন তো অবশ্যই হবে।
তাহলে ধরুন ২ জন আপনার কাছ থেকে পন্য ক্রয় করে কাজ শুরু করল। এখন লক্ষ্য করে দেখুন হয়তো আপনার আর নতুন কেউ পরিচিত অবশিষ্ট নাই কিন্তু আপনার সাথে যে দুই জন কাজ শুরু করল তাদের প্রত্যেকের তো ৩০ জন করে ৬০ জন পরিচিত আছে। তাই নয় কি? তাদের কাছে একই প্রক্রিয়ায় প্রোডাক্ট সেল হলে আপনা ব্যবসা চলতে থাকবে।
এই প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিক ভাবে সামনের দিকে ক্যালকুলেশন করলে দেখতে পাবেন যত দিন যাবে আপনার অতিথির সংখ্যা ততই বাড়তে থাকবে।

আমারতো টাকা নাই! কি ভাবে শুরু করব?

ঠিকই বলেছেন, টাকা না থাকলে তো শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টই ক্রয় করা যাবে না। আর শুরু না করতে পারলে তো কাজ করার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু একটু লক্ষ্য করে দেখুন-
ব্যবসাটি শুরু করার জন্য দরকা মাত্র ৫-১০০০০ টাকার পন্য ক্রয় করার।
ধরুন আপনি এখন দাবি করলেন আপনার কাছে এই পরিমান টাকা নাই। আল্লাহ্ না করুক, আগামীকাল সকালে যদি আপনি একটি একসিডেন্ট এর স্বীকার হোন আর তখন ডাক্তার যদি বলে আপনার জরুরী ভিত্তিতে পায়ের অপারেশন করতে হবে। এ কাজে টাকা লাগবে ৫০০০০/= অন্যথায় পা কেটে ফেলতে হবে।
এমন পরিস্থিতিতে আপনি কি করবেন পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিবেন, নাকি যে কোন মূল্যে টাকার যোগার করবেন? এমন সময় হতে পারে আপনি আপনার মোবাইল, ঘরি, কম্পিউটার বা মায়ের গহনা বিক্রি করে হলেও টাকা যোগার করবেন। এমনটি আমার সাথে হলে আমিও তাই করতাম। কেন এমনটি করবেন যানেন কারন আপনি আপনার পায়ের ভেল্যূ কত তা খুব ভাল করেই জানেন।
ঠিক তেমনি, আপনি যদি চিন্তা করেন এবং বিশ্বাস করেন যে মাত্র ৫-১০০০০ টাকার পন্য কিনে ব্যবসা শুরু করার মাধ্যমে ভাল একটি পার্টটাইম আয়ের সুযোগ তৈরি করা যাবে এবং এর গুরুত্ব যদি উপলব্ধি করতে পারেন তাহলে ৫-১০০০০ টাকা আপনার জন্য কোন টাকাই না!
যে দেশে মাত্র ৫-৭০০০০ টাকার চাকুরী পাওয়ার জন্য মানুষ লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে রাজি হয়ে যায়, যে দেশের মানুষেরা একটি ইউরোপের ভিসা পেলে ১২-১৫ লাখ টাকা বাড়ি গাড়ি বা জমি বিক্রি অথবা ধার করে যোগার করে ফেলে শুধুমাত্র ভাল একটি ইনকামের রাস্তা তৈরি করার আশায়। সেখানে আপনি যদি চিন্তা করেন এবং বিশ্বাস করেন যে মাত্র ৫-১০০০০ টাকার পন্য কিনে ব্যবসা শুরু করার মাধ্যমে ভাল একটি পার্টটাইম আয়ের সুযোগ তৈরি করা যাবে এবং এর গুরুত্ব যদি উপলব্ধি করতে পারেন তাহলে ৫-১০০০০ টাকা আপনার জন্য কোন টাকাই না!
তাই আমার মনে হয় আপনি সাহস করে সিদ্ধান্ত নিলে টাকার যোগার হয়ে যাবে। আপনি নিশ্চিত থাকেন আপনার টাকার কোন অপব্যবহার হবে না। প্রয়োজনে আমি এবং আপনি একসাথে যেয়ে সরাসরি শোরুম থেকে পন্যটি ক্রয় করে নিয়ে আসব।


আমারতো সময় নাই! সময় না দিতে পারলে ব্যবসা করব কি করে?


আপনি ঠিকই বলেছেন। যদিও ব্যবসায়ীক সফলতার জন্য সপ্তাহে অন্ততঃ ১৫-২০ ঘন্টা সময় বিনিয়োগ করতে পারলে ভাল। তবে মজার ব্যপার কি জানেন? এই ব্যবসাটি করার জন্য কোন নির্দিষ্ট সময় দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
যেমন ধরেন, শনিবার আপনি হয়তো সকালে ব্যস্ত বিকালে এসে ২-৩ ঘন্টা সময় দিলেন।
আবার রবিবারে খুব ব্যস্ত আপনি হয়তো সেদিন আসলেন না।
আবার সোমবার হয়তো সারাদিন ব্যস্ত তাই সন্ধ্যার পর ২-৩ ঘন্টা সময় দিলেন।
আবার শুক্রবার ছুটির দিন বিকেল বেলায় হয় তো ২-৩ ঘন্টা সময় দিলেন। এভাবে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী সময়ে কাজটি করার মত স্বাধীনতা এই ব্যবসায় আছে। এভাবে কিছু দিন কাজ করার পর ছোট খাট একটি টিম তৈরি হয়ে গেলে দেখা যাবে আপনি হয়তো ব্যস্ত থাকবেন কিন্তু আপনার টিমের অনেকেই হয়তো এত ব্যস্ত থাকবে না। যার ফলে তারা কাজ করলেও আপনি একটি সুবিধা পাবেন। কারন এই ব্যবসাটিতে রয়ালিটি আয় করার সুযোগ আছে এবং সময়ের এরকম স্বাধীনতা ভোগ করার সুযোগ আছে। তাই আমার মনে হয় আপনি চাইলে আমার সাথে ব্যবসাটি করতে পারবেন। শুরু করুন ইনশা-আল্লাহ্ আমি আপনাকে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করব।

 

আমার তো কোন অভিজ্ঞতা নাই, আমি কি পারব?


আপনার অভিজ্ঞতা না থাকার কারনে আপনি তুলনামূলক ভাবে আরও দ্রুত সফল হবেন। কারন ব্যবসাটি করার জন্য কোন পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন পরে না। এখানে কাজ করতে করতে এবং কিছু প্রশিক্ষন নিতে নিতে আপনার অতিজ্ঞতা তৈরি হয়ে যাবে। তাছাড়া পৃথিবীতে সকল কাজের কিন্তু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। যেমন বিয়ে করতে অভিজ্ঞতা লাগে না। বরং থাকলে সমস্যা তৈরি হয় ঠিক তেমনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় অভিজ্ঞতার কোন প্রয়োজন নাই। তাই শুরু করুন। আমার বিশ্বাস আপনি পারবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমি আপনাকে সার্বক্ষনিক সহযোগীতা করব।
লক্ষ্য করে দেখুন এই সেক্টরে যারা কাজ করছে এবং সফল হচ্ছে তারা সবাই কিন্তু আপনার চেয়ে দেখতে সুন্দর বা বুদ্ধিমান তা না। বরং আপনি অধিকাংশের তুলনায় অনেক বেশি যোগ্য। তাই আমার দাবি দয়া করে নিজেকে ছোট করে দেখবেন না। শুরু করুন। আপনি অবশ্যই পারবেন ইনশা-আল্লাহ্।

 

আপনাদের প্রোডাক্টের মার্কেট প্রাইজ বেশি!


দেখুন এটা শুধু আপনার প্রশ্নই না। ইতিপূর্বে আরো অনেকেই আমাকে এধরনের প্রশ্ন করেছে। আসলে কি জানেন প্রোডাক্টের মার্কেটি প্রাইজ বলতে প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে কোন কিছুর অস্তিত্বই নাই। যদি থাকতই তবে আমি আপনি বাজারে বা শপিং সেন্টারে যেয়ে বিক্রেতার সাথে দরকষাকষি করতাম না।
তারপরেও চলুন দেখি কোন একটি প্রোডাক্টের প্রাইজ কি ভাবে নির্ধারন করা হয়ঃ
ধরুন আপনার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার কোন একটি প্রত্যন্ত গ্রামে।
সেখানে এক কাপ চা এর দাম কত? ৩-৫ টাকা।
একই রকম এক কাপ চা এর দাম ঢাকায় খোলা দোকানে ১০ টাকা।
আবার কোন একটি ফাস্ট ফুডের দোকানে ২০ টাকা।
আবার একই চা কোন একটি চাইনজে বসে খেলে ৫০ টাকা দিতে হয়।
আবার একই চা কোন একটি ফাইভ স্টার হোটেলে বসে খেলে হয়তো ২৫০-৩০০ টাকা দিতে হয়।
এখন আপনিই বলেন গ্রামের ঐ ছোট দোকানের চা চায়ের পাতি দিয়ে তৈরি হয় আর ফাইভ স্টার হোটেলের চা কি অন্য কিছুর পাতি দিয়ে তৈরি হয়। নিঃসন্দেহে না। অবশ্যই সকল জায়গায় চা চায়ের পাতি দিয়েই তৈরি হয়। তার পরেও এক এক জায়গায় চায়ের দাম কম বেশি হবার কারন হচ্ছে ঐ জায়গার পরিবেশ পরিস্থিতি এবং সেবার মান। ফাইভ স্টার হোটেলের পরিবেশ এবং সেবার মান আর ফুট পাতের খোলা দোকানের পরিবেশ এবং সেবার মান কোন অবস্থায়ই এক রকম হয় না্। তাই একই উপাদান দিয়ে তৈরি চা এর দাম পরিবেশ এবং সেবার মান অনুযায়ী কম বেশি হয়ে থাকে।
ঠিক তেমনি আমার কোম্পানী যে প্রোডাক্টগুলো দিচ্ছে তার সাথে কি কি সেবা বা সুযোগ যুক্ত আছে তা বিবেচনা করলে দেখবেন কোন অবস্থাতেই আমাদের কোম্পানীর প্রোডাক্টের মার্কেট প্রাইজ বেশি নয়।
লক্ষ্য করুনঃ
ধরুন আমার কোম্পানীর একটি টেলিভিশন এর দাম ১৭৩০০ টাকা। আর অন্য একটি ব্র্যান্ডের টিভির দামও ১৭৩০০ টাকা।
এখন অন্য কোম্পানীর টিভি কিনলে টিভি পাবেন, রিমোট পাবেন, কাগজ পত্র পাবেন এবং ওয়ারেন্টি পাবেন।
আর আমার কোম্পানীর টিভি কিনলে টিভি পাবেন, রিমোট পাবেন, কাগজ পত্র পাবেন এবং ওয়ারেন্টি পাবেন।
অন্য কোম্পানীর টিভি কিনলে এর সাথে রেগুলার আয় করার কোন সুযোগ কি আপনাকে ফ্রি দিবে। না দিবে না।
কিন্তু আমার কোম্পানী টিভির সাথে আপনাকে রেগুলার আয় করার সুযোগ ফ্রি দিচ্ছে এবং চাইলে এটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার ক্যারিয়ারও তৈরি করতে পারবেন। তাই আপনার প্রতি আমার পরামর্শ শুরু করুন।

যদি এক সাইড বন্ধ হয়ে যায় তবে কি হবে?

যদি এক সাইড বন্ধ হয়ে যায় তবে আপনি সাময়িক ভাবে কোন আয় করতে পারবেন না। তবে সাধারনত প্রত্যেক নেটওয়ার্কারকে একটি সাইড নিয়েই কাজ করতে হয়। আর একটি কমন সাইড থাকে যা আপনার যারা আপলাইন হবে তারা তাদের স্বার্থেই আপনি কাজ করেন বা না করেন তৈরি করবে। তাই যদি কখন ও আপনার একটি সাইড বন্ধ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে দেখা যাবে হয়তো আপনি যে সাইড নিয়ে কাজ করতেন সেই সাইডটিই বন্ধ হয়েছে। আচ্ছা বলুন তো আপনি যদি কাজ করা বন্ধ করে দেন তাহলে কি আপনার আয় হওয়া উচিৎ। নিশ্চই না। তাই যদি আপনি কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং নিয়মিত কাজ করেন তবে আশা করা যায় আপনার কোন সাইডই বন্ধ হবে না। আপনি আমরা সাথে শুরু করুন। আমি আপনার সাথে আছি।

এই ভাবে একজন একজন করে জয়েন করলে শেষ ব্যক্তির কি হবে?


ধরুন, আমি আপনাকে বিষয়টি শেয়ার করলাম এখন যদি আপনি আমার সাথে কাজ শুরু করেন তবে আমরা দুই জন মিলে টিম তৈরি হলো। এখানে আপনাকে সহযোগীতা করার জন্য শুধু আমি থাকলাম। এখন আপনার মাধ্যমে জামালনামের একজন জয়েন করল তাকে সহয়োগীতা করার জন্য আমরা দুইজন থাকব। তারপর জামাল এর মাধ্যমে কামালনামের একজন জয়েন করণ তাকে সহযোগীতা করার জন্য আমরা তিন জন থাকব।
এভাবে যে নতুন শুরু করবে তাকে সহযোগীতা করার জন্য অনেকেই থাকবে। তাতে করে সে তো আরো দ্রুত সফল হবে। তাই নয় কি?এবার আসুন চিন্তা করি, এক সময় সবাই জয়েন করে ফেলল আর সবার শেষে জয়েন করল মিস্টার জেড। এখন আমরা সকলে হয়তো প্রথমবার পরিবারের প্রয়োজনে একটি করে টিভি ক্রয় করেছিলাম। বর্তমানে আবার আমাদের পরিবারের প্রয়োজনে একটি করে ফ্রিজ ক্রয় করব। তাতে সকলেই ইনকাম পাবে। তার পর সকলে যার যার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট নিজেদের প্রয়োজনে কিনতে থাকব আর আমরা সকলেই ইনকাম পেতে থাকব।
লক্ষ্য করলে দেখবেন আমি, আপনি, জামাল, কামাল আমরা প্রত্যেকেই অনেক দিন যাবৎ কাজ করছি বিধায় আমাদের ব্যবসায়ীক কেন্দ্রের দুটি সাইডই ফিলআপ করা আছে। তাই এখন আমরা সকলেই যে পন্য ক্রয় করছি তার সবই কিন্তু মিস্টার জেড এর ব্যবসায়ীক কেন্দ্রের নিচেই জমা করছি। তার মানে মিস্টার জেড দারুন লাকি একজন ব্যক্তি। তাই দুঃশ্চিন্তা না করে শুরু করুন। ইনশা-আল্লাহ্ আপনি সফল হবেন।

এইব্যবসা তো একদিন বন্ধ হয়ে যাবে?

এই কথাটি ১০০% সত্য। পৃথিবীর সকল কিছুই একদিন শেষ হয়ে যাবে। তবে আমি আপনি এবং সকলেই কিন্তু প্রোডাক্ট সেল করবো আমাদের ইনকামের জন্য। কোম্পানী আমাদের সেল করা পন্যের মধ্য থেকে যে লাভ করবে তার একটি অংশ আমাদেরকে দিবে এবং বাকি অংশ কোম্পানীর লাভ হিসেবে থেকে যাবে। খেয়াল করলে দেখবেন আমরা সেল না করলে আমাদেরকে কোন বেতন দিতে হয় না। তাই আমরা ইনকাম করতে হলে কোম্পানীও একটি ইনকাম করবে। এমন একটি কোম্পানী যেখানে ডিস্ট্রিবিউটররা কোম্পানীর প্রোডাক্ট সেল করে কোম্পানীকে ইনকামের ব্যবস্থা করে দিলে কোম্পানী তাদেরকে ইনকাম দেয় নইলে নয় এমন একটি কোম্পানীর মালিক আপনি হলে আপনি কি এই কোম্পানীটিকে বন্ধ করে দিতেন। নিশ্চই না। তাহলে যতদিন মানুষ অর্থাৎ ক্রেতা থাকবে ততদিন আমার আপনার মত বিক্রেতাও থাকবে। তাই আশা করা যায় সহসাই কোম্পানী বন্ধ হবার কোন কারন নেই। শুরু করুন। ইনশা-আল্লাহ্ সফল হবেন।
বিঃদ্রঃ মনে রাখবেন আপনার অতিথি জানে না বা বুঝে না বিধায় এমন সব প্রশ্ন করবে। তাই ফলোআপ করার সময় কোন অবস্থাতেই রাগ করা যাবে না, তর্ক করা যাবে না, আন্তরিকতার সহিত বুঝিয়ে বলতে হবে।

মতামত

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে