আওয়ামী লীগের ইপিজেডে পরিণত হয়েছে ঢাবি

45


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আওয়ামী লীগের ইপিজেডে (এক্সপোর্ট প্রমোশন জোন) পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২২ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, ‘গত ১৮ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে ইউট্যারে একটি ঘরোয়া দাওয়াতে আমি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও তিনজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলাম। আমন্ত্রিত অতিথিসহ সব মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ জন উপস্থিত ছিলেন। এখানে যদি নাশকতার কোনো পরিকল্পনা করা হতো, তাহলে সিসিটিভির ক্যামেরার আওতার মধ্যে কীভাবে আমরা ডাইনিং কক্ষে গিয়ে বসলাম?’

তিনি বলেন, ‘সেখানে অনেকেই সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন। এটিকেই এখন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং তাদের দলদাস কিছু শিক্ষক। বিভিন্ন সংগঠনের নামে এখন তারা আমাদের বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি দিচ্ছে। আমাকে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ওবায়েদকে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছে।’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেন এক্সপোর্ট প্রমোশন জোনের (ইপিজেড) মতো আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের প্রমোশন জোনে পরিণত হয়েছে। আর এদেরকে ইন্ধন দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলদাস প্রশাসন’- বলেন রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘ক্লাবসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর আওয়ামী নেতা-মন্ত্রীদের অভয়ারণ্য। অনেক রাত পর্যন্ত তারা ক্লাবে আড্ডা দেয় এবং লন টেনিস খেলাসহ নানাবিধ কর্মকাণ্ড চালায়। তাদের জন্য সাত খুন মাফ। অথচ কোনো শিক্ষকের আমন্ত্রণে বিরোধীদলের কোনো নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করলেই তারা সেখানে নাশকতার গন্ধ পায়।’

‘এমনকি অন্য দেশের অনেক শিক্ষক-বুদ্ধিজীবিকে অহরহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা দিব্যি সারা বিশ্ববিদ্যালয় দাপিয়ে বেড়ায়। মূলত বিরোধী দলের ওপর অত্যাচার করছে বা প্রতিশোধ নিচ্ছে রাষ্ট্র। সরকার তাদের সমালোচনাকারীদের কড়া নজরদারীর মধ্যে রেখেছে। এখন বাংলাদেশের মানুষের দেহ ও মন সার্বক্ষণিক নজরদারীর মধ্যে’- বলেন রুহুল কবির রিজভী।

সারাবাংলা/এজেড/একে





Source link