breaking news New

হামলার মূল টার্গেট ছিল পুলিশ বক্স, আই এসের দায় স্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় পুলিশ বক্সের সামনে শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে ককটেল হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনার পর রাত ১১টার দিকে ওই এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, হামলার মূল টার্গেট ছিল পুলিশ বক্স। ট্রাফিক বক্সে থাকা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করেই ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল। দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি, জনগণের মধ্যে ভীতি সঞ্চার ও পুলিশের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য এই হামলা হতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।’
হামলায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের গাড়িবহরে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা এসআই শাহাবুদ্দিন (৩৫) ও ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল (৪০) আহত হন।
ডিএমপি কমিশনার এ বিষয়ে বলেন, ‘এলজিআরডি মন্ত্রীর গাড়ি ধানমন্ডির দিকে যাচ্ছিল। সায়েন্সল্যাবে আসার পর মন্ত্রীর গাড়ি সিগন্যালে আটকে যায়। তখন লাইন ছেড়ে দেওয়ার জন্য ট্রাফিক পুলিশকে জানাতে গাড়ি থেকে নামেন মন্ত্রীর বহরের দায়িত্বে থাকা এএসআই শাহাবুদ্দিন। তখনই বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ হয়।’
আছাদুজ্জমান মিয়া বলেন, ঘটনার আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের পর বলা যাবে কী উদ্দেশে, কেন এ হামলা চালানো হয়েছিল। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।
উল্লেখ্য, এরআগে গুলিস্তান ও মালিবাগে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। গত ২৯ এপ্রিল গুলিস্তানে একটি ট্রাফিক বক্সের পাশে হাতে তৈরি বোমা বা আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ট্রাফিক পুলিশের দুই সদস্য ও একজন কমিউনিটি পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনার ঠিক ২৮ দিন পর গত ২৬ মে রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর মালিবাগের পলওয়েল ফিলিং স্টেশনের বিপরীতে ফ্লাইওভারের নিচে রাখা পুলিশের বিশেষ শাখার একটি পিক-আপভ্যানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এতেও ট্রাফিক পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রাশেদা আক্তার, লাল মিয়া নামে একজন রিকশাচালক ও শাহনাজ শারমিন নামে এক পথচারী আহত হন। এছাড়া ২৩ জুলাই রাতে রাজধানীর পল্টন ও খামাড়বাড়ি পুলিশ বক্সের কাছে ফেলে রাখা বোমা উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনার পর দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছিল জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

মতামত দিন

0 Comments

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password

Register