হাতুড়ি ডাক্তার ও আনাড়ি ফার্মাসিস্টদের দখলে চট্টগ্রামেরর নগর ও গ্রামবাসিরা।

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ ঃ নগরীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের অলি গলিতে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা বৈধ অবৈধ ফার্মেসি গুলোতে আনাড়ি ফার্মাসিষ্ট দিয়ে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র
ছাড়াই দেদারছে বিক্রি হচ্ছে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ।

বিডিনিউজটাইমসের প্রতিবেদক ফামের্সী ঘুরে জানতে পারে যে , ওসব ফামের্সীগুলোর অধিকাংশ বিক্রেতা অষ্টম শ্রেণীর গন্ডি পেরুতে পারেনি।  এর পরও
অভিজ্ঞতার আলোকে জ্বর-স্বর্দি থেকে শুরু করে ঘুম, সেক্স, নেশা, পেটব্যাথা, জন্ম নিয়ন্ত্রন, কিডনী সুরক্ষার ও গেষ্ট্রীক ওষুধ ছাড়াও অনুমানের ভিত্তিতে বিক্রি করছে বেশী মাত্রার সেক্স উত্তজক ট্যাবলেট ও এন্টিবায়োটিক।
এই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারা জানান, পরামর্শপত্র ছাড়া ওষুধ বিক্রি সেবনকারীর শুধু
মৃত্যুঝুঁিকই বাড়াচ্ছে না, একারণে হত্যা, অপহরণ, আত্নহত্যা ও মাদক গ্রহণের মত গঠনাও ঘটছে অহরহ।

এ অবস্থায় মৃত্যুঝুঁিকতে বাস করছে জেলার অধিকাংশ অসচেতন ও নিন্ম আয়ের মানুষ।শহর কিংবা গ্রামের হাটবাজারগুলোর ফার্মেসী বিডিনিউজটাইমস
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাকলিয়া, চাক্তাই কর্ণফুলি ব্রীজ এলাকায়, মা মনি
ফার্মেসি, পায়েল ফার্মেসি(ভুয়া ডাক্তার), বাস্তুহারার মা মেডিকো, নতুন সিবীচ মেরিনার্স রোড়ে ও চাক্তাই, বাস্তুহারা, কলেজবাজার ভুয়া ডাঃ শিপ্রা শীল, বাদামতল,  ফাজিলহারহাট, পটিয়ার মোহাম্মদিয়া ফার্মেসি, আনোয়ারা হাসপাতাল কেয়ার মেডিকো, এ রহমান ফার্মেসি, জান্নাত ফার্মেসি, মদিনা ফার্মসি, চাতুরী চৌমোহনি তে মদিনা মেডিকো, আলম ফার্মেসি, জয়কালিহাট, দোভাসিবাজার, সেন্টার, সরকারহাট, বটতলি, ছক্তারহাট, মালঘরসহ দক্ষিণ চটগ্রামসসহ অধিকাংশ ফার্মেসিতে কোন প্রশিক্ষিত ফার্মাসিষ্ট নেই তাছাড়া তাদের দোকানে চিকিৎক স্যাম্পল, হাই কোর্ট বাতিল করা ৩৪ দি অবৈধ কোম্পানির ঔষধ এখনো দেধারছে বিক্রি করছে। তাছাড়া কর্ণফুলি ব্রীজ এলাকার মা মনি ফার্মেসিতে অবৈধ সেক্সের, মোটাজাত করনের বিদেশি ঔষধ, নেশা জাতীয় ট্যাবলেট এক কথায় বিক্রয় হচ্ছে যা দোকান তল্লাশি করলে ধরা পড়বে বলে গোপনসূত্রে জানায় অন্যদিকে আনোয়ারা হাসপাতালের সামনের ঔষধের দোকান গুলো নিয়ন্ত্রণ করাচ্ছে ছোট ছোট ছেলে দিয়ে যাদের বয়স এমন কি আটারো হয়নি এবং প্রায় অষ্টম শ্রেণি পাস করছে কিনা সন্দেহ।
অনুমানের ভিত্তিতে অনেকেই ওষুধ বিক্রি করছে ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া।
কয়েকদিন আগেও অসাধু ব্যাবসা বন্ধ করতে
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ নাসিম কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ করে প্রতিটি
ফার্মের্সিতে প্রশিক্ষিত ফার্মাসিষ্ট রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে চিকিৎসকের
ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ফার্মেসীতে ওষুধ বিক্রিতেও রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। কারণ
চিকিৎসকের পরার্মশ ছাড়া ওষুধ সেবনে এ্যজমা, ডায়াবেটিস, দূরারোগ্সহ বিভিন্ন গুরুতর রোগের রোগিদের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশংকা রয়েছে। কিন্ু তারা সেই আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দিখিয়ে ব্যবসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে গ্রাম এলাকার কয়েক ফার্মেসী ব্যাবসায়ী জানান, মূলত চিকিৎসা ফিঃ ও পর্রামর্শপত্রে ডাক্তার নির্দেশিত শারীরিক পরীক্ষার খরচ থেকে বাচঁতেই পরামর্শ পত্র ছাড়াই ওষুধ কিনতে আসেন অধিকাংশ রোগি। রোগিরা চাইলে আমাদের ব্যবসা চালাতে হয়। প্রয়োজনে ড্রাগ অ্যাসোসিয়েশন ও ভ্রাম্যমান আদালত আসলে দোকান বন্ধ করে দেব, যদি ধরা পড়ি ৫০০ টাকা দিলে ম্যানেজ হয়ে যাবে।

ফামের্সীগুলোতে দেখা যায়, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই এ্যাজিথ্রোমাইসিন, স্পারফ্লক্সাসিলিন, সেপোর্কিসিম, সিপ্রোক্সিন-৫০০ এমজি, আ্যমোসিক্সিলিন-৫০০, ডাইক্লোফেনাক-১০০ এমজি ও ঘুম নেশা জাতীয় ওষুধ ডেক্সপোটেন, অফকফ, ফেনারগ্যান,  সিডাক্সিন, সেডিল,  বিক্রি করছে নিয়মিত। এছাড়া এসকল ফার্মেসিতে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন অখ্যাত কোম্পানির নিম্নমানের কিংবা মেয়াদোত্তীর্ন ওষুধ।

চিকিৎসকরা জানান, ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ঘুমের মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ ফার্মেসি থেকে সংগ্রহ করে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হওয়ার
অভিযোগও রয়েছে। সাধারণত সহজভাবে ও অনান্য নেশার চেয়ে সস্তা হওয়াতেই তরুণ, শিক্ষার্থিরা এই ঔষধ ব্যবহার করছে। অন্যদিকে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ পাওয়ায় প্রতিদিন ওই সমস্ত ওষুধ সেবন করে বিপদগামী হচ্ছে অসংখ্য তরুণ-তরুণী।
সচেতনমহল আশংকা প্রকাশ করছেন হাতের নাগালেই এসব ওষুধ পাওয়া গেলে ওষুধের
অপব্যবহার আরো বেড়ে যেতে পারে।

ফলে বাড়তে পারে হত্যা, অপহরণ, ও মাদক গ্রহনের মত জগন্যতম ঘটনা। সাধারন
রোগীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ফার্মেসীগুলোতে প্রশিক্ষিত ফার্মাসিষ্ট নিশ্চিত
করনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অভিযান জরুরী মনে করেন ভোক্তভোগীরা।

0 Comments

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password

Register