হটলাইনে ফোন করে কাউকে পাওয়া যায় না : রিজভী

0
122

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য ও সেবা পেতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইনে ফোন করে কাউকে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আজ বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য ও সেবা পেতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৩টি হটলাইন ফোন নম্বর চালু করেছে। তবে এই নম্বরগুলোতে ফোন করে কাউকে পাওয়া য়ায় না। রিং হতে থাকলেও কেউ রিসিভ করে না।’

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ে দেশজুড়ে আতঙ্কজনক পরিস্থিতি তৈরি হলেও সরকার এ নিয়ে রীতিমত চরম উদাসীনতা ও খামখেয়ালীপনা প্রদর্শন করছে। তাদের সমস্ত মনোযোগ ও ব্যস্ততা মুজিব বর্ষ পালন নিয়ে।’

‘দেশের সীমান্ত ও স্থল বন্দর অরক্ষিত, বিমান বন্দরগুলোতে স্ক্যানার মেশিন নেই, যা দু’একটি ছিল তাও আবার গতকাল নষ্ট হয়ে গেছে। মেগা প্রকল্পের নামে দেশে হরিলুট চললেও মানুষের জীবন বাঁচাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার।’

দেশে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কার্যকর প্রস্তুতিই নেই জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘১৩টি হটলাইন আর কয়েকটি হাসপাতালে জোড়াতালির প্রস্তুতি চলছে। দেশের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ বেড নেই। ভেন্টিলেটর মেশিনও নেই। চিকিৎসক ও নার্সদের নিরাপত্তা বা সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল মাস্ক ও ইউনিফর্ম নেই। ভাইরাস প্রতিরোধী পোশাকও (পিপিই) নেই।’

রিজভী বলেন, ‘মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার যথেষ্ট পরিমাণে আমদানি বা উৎপাদনের কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সেগুলো কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। করোনাভাইরাস নিয়ে দেশে প্রবেশ করলে শনাক্তের কোনো যথাযথ ব্যবস্থা নেই। বিমান বন্দরে টাকার বিনিময়ে করোনাভাইরাস মুক্ত সার্টিফিকেট বিক্রি করছে এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা। যে কারণে বিমানবন্দরে ইতালি থেকে করোনাভাইরাস নিয়ে যারা দেশে এসেছেন, তাদের রোগ শনাক্ত হয়নি।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘সরকারের ভয়ংকর উদাসীনতার ফলে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়লে দেশে এক মহাবিপর্যয় দেখা দেবে-তা হবে করুণতম ও মর্মস্পর্শী। এ ব্যাপারে সরকারের ব্যর্থতাকে জনগণ কখনো ক্ষমা করবে না।’