Notice: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' in /home/joynalbd/public_html/bdnewstimes.com/wp-content/themes/bdnewstimes/functions.php on line 73
স্কুলে ভর্তির জন্য অতিরিক্ত  টাকা ১০ দিনের মধ্যে ফেরতের নির্দেশ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের – bdNewstimes.com | All Time Latest News

স্কুলে ভর্তির জন্য অতিরিক্ত  টাকা ১০ দিনের মধ্যে ফেরতের নির্দেশ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের

রাজিব শর্মা,চট্টগ্রাম ঃ ৯স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে
৩ হাজার টাকার চেয়ে অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকা ১০ দিনের
মধ্যে ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন
জেলা প্রশাসক। এই সময়ের মধ্যে ফেরত
দেওয়া না হলে পরবর্তীতে ৭ দিনের
মধ্যে জেলা প্রশাসন তদন্তপূর্বক অভিযুক্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মন্ত্রণালয়ে ওইসব
স্কুলের এমপিও বাতিলের সুপারিশ করা
হবে বলেও হুশিয়ার করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা
প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা
আদায় ঠেকাতে আয়োজিত মতবিনিময়
সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় ৪৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও
প্রতিনিধিরা উপস্থিত নিজেদের বিরুদ্ধে
উঠা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন।
বেঠক সূত্র জানায়, টাকা ফেরত দেওয়া
বা সমন্বয় করার জন্য আগামী ২৩
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সামসুল
আরেফিন। অর্থাৎ আগামী ১০
কার্যদিবসের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করতে
হবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে।
এদিকে সরকারি নীতিমালাকে
তোয়াক্কা না করে স্কুলে ভর্তির
ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে
অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধে নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৫টি তদারকি
কমিটি গঠিত হয় জেলা প্রশাসকের
নির্দেশে। ওই কমিটিতে জেলা ও
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের
কর্মকর্তা, ক্যাবের প্রতিনিধিরা ছিলেন।
ওই তদারক কমিটি নগরীর বেশ কিছু
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বাস্তব চিত্র
তুলে আনতে সক্ষম হয়। তদারক টিম
ভর্তিক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছ
থেকে ৩ থেকে ৬৩ হাজার টাকা আদায়ের
ও টিসির জন্য ১০ হাজারেরও বেশি টাকা
নেওয়ার অভিযোগ পায়।
পরবর্তীতে ভর্তি নীতিমালার বাইরে
সর্বসাকুল্যে কেন ৩ হাজার বেশি আদায়
করা হয়েছে, তার লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে
৪৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কারণ
দর্শানোর নোটিশ পাঠায় এবং বুধবার
জেলা প্রশাসনের সভায় উপস্থিত থাকতে
বলা হয়। এরই প্রেক্ষিতে গতকালের
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়ে নিজেদের
ব্যাখ্যা উপস্থাপন করলেন স্কুলের প্রধান
ও তাঁদের প্রতিনিধিরা।
সভায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের
উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক মো. সামসুল
আরেফিন আরও বলেন, বারংবার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ডেকে সভা
করা করতে আমরাও চাই না। কেননা,
শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষকরা
সেই জাতি গঠনের হাতিয়ার। এ সেক্টরে
আমরা যদি নীতিমালাকে অনুসরণ না করি
তাহলে আমাদের সকল শিক্ষাই বৃথা।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি নীতিমালার
বাইরে যায়, তাহলে আমরা কি শিখবো
আর শিক্ষার্থীদের কি শিক্ষা দিবো।
আমাদের তদারক টিম যাচাই বাচাই করে
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তিনি
আরো বলেন, ভর্তি নীতিমালায় স্পষ্ট
উল্লেখ রয়েছে ভর্তির সময়
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সর্বসাকূল্যে
৩ হাজার টাকার বেশি টাকা আদায় করা
যাবে না। কিন্তু তদারক কমিটি তার চিত্র
পেয়েছে ভিন্ন। তদন্তে ৫ থেকে ১০ গুণ
বেশি টাকা আদায়ের চিত্রও উঠে আসে।
যা কখনো কাম্য নয়। একইসাথে আইনসিদ্ধও
নয়।
মত বিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত
ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা
কর্মকর্তা হোসনে আরা, চসিক এর প্রধান
শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন,
ক্যাবের (কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব
বাংলাদেশ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি
এস এম নাজির হোসাইন প্রমুখ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ
দৌলতুজ্জামান খান বলেন, কোন শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান ভর্তি নীতিমালার বাইরে
যাওয়ার সুযোগ নেই। ছাড়পত্রের জন্য
কোন টাকা নেওয়া যাবে না।
এদিকে জেলা প্রশাসকের তরফে গঠিত
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন উঠে আসা তথ্য
অনুযায়ী, হাতেখড়ি স্কুলে ভর্তির
ক্ষেত্রে সার্বসাকুল্যে তিন হাজার
টাকা আদায় করা হয়েছে। এরমধ্যে ১৩শ
টাকা উন্নয়ন ফি বাবদ নেয়া হয়েছে।
যেটা নীতিমালা পরিপন্থী। আগ্রাবাদ
বালিকা উচচ বিদ্যালয় আদায় করেছে
৩৬৫০ টাকা। পুনঃভর্তিতে ২৮৩০ টাকা,
উন্নয়ন ফি বাবদ ১৩০০ টাকা আদায় করা
হয়েছে। সিলভার বেলস গার্লস হাই স্কুল
ভর্তিতে ৭ হাজার ৬শ টাকা নেয়া
হয়েছে। বাংলাদেশ এলিমেন্টরি স্কুলে
৬ষ্ঠ-৭ম শ্রেণির ভর্তিতে ১৬ হাজার, ৮ম
শ্রেণিতে ১৬ হাজার ৯শ টাকা, ৯ম-১০ম
শ্রেণিতে ১৬ হাজার আদায় করা হয়েছে।
টিসি বাবদ ৭ হাজার টাকা আদায় করা
হয়ে থাকে। অংকুর সোসাইটি বালিকা
উচ্চ বিদ্যালয় ৬ষ্ঠ, ৮ম-৯ম শ্রেণির
ভর্তিতে ৫ হাজার ৪৫০ টাকা, ৭ম-১০ম
শ্রেণিতে ৩২৬০ টাকা আদায় করা হয়।
উন্নয়ন ফি বাবদ ৬ষ্ঠ, ৮ম ও ৯, শ্রেণিতে
২১০০ টাকা, ৭ম ও ১০ম শ্রেণিতে ১৭৬০
টাকা আদায় করা হয়েছে। সারাদিনের
স্কুল এন্ড কলেজে ভর্তিতে ৫ হাজার
টাকা আদায় করা হয়। আগ্রাবাদ সরকারি
কলোনি উচচ বিদ্যালয় উন্নয়ন ফি ১২শ
টাকা আদায় করা হয়েছে। টিকেট
প্রিন্টিং প্রেস কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়
নীতিমালা পরিপন্থী ৫০০ টাকা উন্নয়ন
ফি আদায় করেছে। ইস্পাহানি পাবলিক
স্কুল এন্ড কলেজ এ ভর্তিতে ৫ হাজার
টাকা। রেডিয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজে
ভর্তিতে ১৩ হাজার আদায় করা হয়েছে।
চিটাগাং পুলিশ ইনস্টিটিউট স্কুলে
ভর্তিতে পুলিশ ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে ৩২৫০
টাকা ও পাবলিক ওয়ার্ডে ৫৫০০ টাকা
নেয়া হয়েছে। এটা নীতিমালা পরিপন্থী।
পাহাড়তলী গার্লস হাই স্কুল নীতিমালা
বর্হিভুত ৭০০ টাকা উন্নয়ন ফিসহ ৩২৭০
টাকা আদায় করা হয়েছে। মির্জা আহমেদ
ইস্পাহানী উচচ বিদ্যালয়ে উন্নয়ত খাতে
তিন হাজার টাকা ফিসহ মোট ৬৫০০ টাকা
আদায় করা হয়। হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট
পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে ৫০০০ টাকা
নেয়া হয়। এছাড়াও অধ্যক্ষের কক্ষে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর
ছবিও সংরক্ষণ করা হয়নি বলে
প্রতিবেদনে উঠে আসে। হাউজিং এন্ড
সেটেলমেন্ট পাবলিক স্কুল এক হাজার
টাকা উন্নয়ন ফিসহ ৩৩৫০ টাকা আদায়
করা হয়। শহীদ লে. জি এম মুশফিক বীরত্তম
উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণিতে ২৯৪০
টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণিতে ৩১১৫ টাকা
আদায় করা হয়েছে। উন্নয়ন ফি হিসেবে
এক হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।
ইস্পাহানী আদর্শ হাই স্কুলে অনুমতি
ছাড়াই সেশন ফি ১৬.৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে
৩৫০০ টাকা, মাসিক বেতন ৫০০ টাকার
স্থলে ৭০০ টাকা করা হয়েছে। সাউথ
এশিয়ান স্কুলে উন্নয়ন ফি ৩০০০ টাকাসহ
৫০০০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ
(চকবাজার শাখা) ভর্তি-পুনঃভর্তিতে
৫০০০ টাকা আদায় করা হয়। বাংলাদেশ
মহিলা সমিতি বালিকা স্কুল এন্ড
কলেজে ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নয়ন
ফি ৮০০ টাকাসহ তিন হাজার টাকা আদায়
করা হয়। প্রেপ-১ শ্রেণির ভর্তিতে ১০
হাজার ৩৫০ টাকা আদায় করা হয়েছে।
রেলওয়ে পাবলিক হাই স্কুলে ভর্তিতে
৫৭০০ টাকা আদায় করা হয়। টিসির
ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা নেয়া হয়।
চিটাগাং আইডিয়াল হাই স্কুলে
(জামালখান) ভর্তি ৬ হাজার টাকা আদায়
করা হয়। উন্নয়ন ফি ৩০০০ টাকা।
কম্পিউটার ও বিজ্ঞান ল্যাব বাবদ ১৫০০
টাকা করে তিন হাজার টাকা আদায় করা
হয়। কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজে
উন্নয়ন ফি ২০০০ হাজার টাকাসহ ভর্তিতে
নেয়া হয় মোট ৫০০০ হাজার। আবার টিসি
বাবদ অযৌক্তিকভাবে ৯০০ টাকা আদায়
করা হয়।
চিটাগাং গ্রামার স্কুল ভর্তিতে ৬৩
হাজার টাকা এবং মাসিক বেতন ১৬
হাজার টাকা আদায় করা হয়। অর্থ আদায়
অনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা
অনুসরণ না করায় বিভিন্ন খাতে বছরের
বিভিন্ন সময়ে অর্থ আদায় করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির আয় ও ব্যয় খতিয়ে দেখার
পরামর্শ দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুলে সেশন চার্জসহ ১১
হাজার ও মাসিক বেতন তিন হাজার
টাকা আদায় করা হয়। অর্থ আদায়
অনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা
অনুসরণ না করায় বিভিন্ন খাতে বছরের
বিভিন্ন সময়ে অর্থ আদায় করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির আয় ও ব্যয় খতিয়ে দেখার
পরামর্শ দিয়েছে তদন্ত কমিটি। মির্জা
আহমেদ ইস্পাহানী স্মৃতি বিদ্যালয়ে
৬ষ্ঠ-৭ম শ্রেণিতে ৪২৫০ টাকা, ৮ম
শ্রেণিতে ৪১৭৪ টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণিতে
৪০৮৬ টাকা আদায় করা হয়। খাতা, স্কাউট,
মিলাদ বাবদ ৬ষ্ঠ-৭ম শ্রেণিতে ৭৫০ টাকা,
৮ম শ্রেণিতে ৬৭৪ টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণিতে
৫৮৬ টাকা নেয়া হয়। সিডিএ গার্লস স্কুল
এন্ড কলেজে ভর্তিতে ৬৩১৫ টাকা,
পুনঃভর্তিতে ৫৩১৫ টাকা আদায় করা
হয়েছে। উন্নয়ন ফি নতুনের ক্ষেত্রে ১৫০০
টাকা, পুনঃভর্তির ক্ষেত্রে ২০০০ টাকা
আদায় করা হয়। মেরন সান স্কুল এন্ড
কলেজে তদন্ত কমিটির পরিদর্শনে
অসহযোগিতা ও অভিভাবকদের উদ্ধৃতি
দিয়ে টিসির ক্ষেত্রে ৫৫০০ টাকা নেয়া
হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও
এসএসসির প্রবেশপত্র নিতে ৭০০ টাকা
দিতে হয়। মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড
কলেজে ভর্তিতে ৪০০০ টাকা নেয়া হয়।
এছাড়াও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি
প্রদর্শিত নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড
কলেজে ভর্তিতে ৬০০০ হাজার ও
পুনঃভর্তিতে ৪৫০০ টাকা আদায় করা হয়।
কর্ণফুলী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে
ভর্তিতে ৭৫০০ টাকা, পুনঃভর্তিতে ৬০০০
টাকা আদায় করা হয়। চিটাগাং
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে
ভর্তিতে সেশন চার্জসহ ৫০০০ টাকা,
পুনঃভর্তিতে ৪৫০০ টাকা আদায় করা হয়।
কর্ণফুলী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে
ভর্তিতে ৭৫০০ টাকা, পুনঃভর্তিতে ৬০০০
টাকা আদায় করা হয়। ওয়াইডব্লিউসিএ
প্রাইমারি স্কুলে ভর্তিতে ৫২০০ টাকা, এর
বাইরে উন্নয়ন ফি ১৮০০ টাকা আদায় করা
হয়। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর ছবি প্রদর্শিত
হয়নি। ন্যাশনাল পাবলিক স্কুল এন্ড
কলেজে ভর্তিতে ৫০০০ টাকা নেয়া
হয়েছে। চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক
স্কুলে ভর্তিতে বাংলা মাধ্যমে ১৪,৫০০
টাকা, ইংরেজি মাধ্যমে ১৬,৫০০ টাকা
আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও উভয়
ক্ষেত্রে ৩০০০ টাকা উন্নয়ত ফি আদায়
করা হয়েছে। চিটাগাং ক্যান্টনমেন্ট
ইংলিশ স্কুলে ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণিতে ২০,৩৮০
টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণিতে ১৮,৯৮০ টাকা
আদায় করা হয়েছে। সারমন স্কুল এন্ড
কলেজে ভর্তিতে ৬০০০ টাকা আদায় করা
হয়েছে। বেপজা পাবলিক স্কুল এন্ড
কলেজে ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণির ভর্তিতে ৪,৭৫০
টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণিতে ৪৮০০ টাকা
আদায় করা হয়েছে। এর বাইরে উন্নয়ন ফি
বাবদ ৩৫০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।
বিএএফ শাহীন কলেজে ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণির
ভর্তিতে ৬,৯৪৫ টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণিতে
৬০৮৫ টাকা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও
উন্নয়ন ফি ৪০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে
৭ম-১০ম শ্রেণিতে উন্নয়ন ফি হিসেবে
২০০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। নিমতলা
উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নয়ন ফি হিসেবে ৫০০
টাকা আদায় করা হয়েছে। হালিশহর
মেহের আফজল উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নয়ন ফি
হিসেবে ৫০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।
টিএসপি কমপ্লেক্স মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
উন্নয়ন ফি হিসেবে ৮০০ টাকা নেয়া
হয়েছে। বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী স্কুল
এন্ড কলেজে ৬ষ্ঠ-৭ম শ্রেণিতে উন্নয়ন ফি
হিসেবে ৩০০০ হাজার টাকা, ৯ম-১০ম
শ্রেণিতে উন্নয়ন ফি ৫০০০ টাকা নেয়া
হয়েছে। ইস্টার্ন রিফাইনারী মডেল উচচ
বিদ্যালয়ে উন্নয়ন ফি হিসেবে ৩০০০
টাকা টাকা নেয়া হয়েছে।
সভায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান
অতিরিক্ত ফি আদায়ের কথা স্বীকার
করে ফেরত দেয়া এবং সমন্বয় করে
ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সভায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ক্ষেত্রে
ষ্পষ্ট নীতিমালা না থাকার বিষয়টি উঠে
আসে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে
জানানো হবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়
জেলা প্রশাসনের তরফে।

Print Friendly, PDF & Email
 

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password

%d bloggers like this: