Notice: Use of undefined constant REQUEST_URI - assumed 'REQUEST_URI' in /home/joynalbd/public_html/bdnewstimes.com/wp-content/themes/bdnewstimes/functions.php on line 73
শীতে মৃত্যুর খবর সঠিক নয় : ত্রাণমন্ত্রী – bdNewstimes.com | All Time Latest News

শীতে মৃত্যুর খবর সঠিক নয় : ত্রাণমন্ত্রী

শীতে কোনো মানুষ মারা যায়নি, মৃত্যুর খবরও সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

তিনি বলেন, শীতে কষ্ট পেয়ে কেউ মারা গেছেন এমন তথ্য আমাদের জানা নেই। বরং অসুস্থ হয়ে কিংবা বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। তা ছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত শীতে মৃত্যুর সংবাদও সঠিক নয়।

শীতে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও সরকারের পদক্ষেপ জানাতে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মায়া বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আলাপ করে জেনেছি, একজন ছাত্রী ট্রমা রোগে আক্রান্ত অবস্থায় মারা গেছেন। বাকিরা মারা গেছেন বার্ধক্যজনিত কারণে। যাদের বয়স ৮০ বছরের বেশি।’

‘শীতে যেন একজন মানুষও মারা না যায়, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ শীতবস্ত্র ও কম্বল শীতপ্রবণ এলাকায় পাঠানো হয়েছে। ২০টি জেলায় কম্বল ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ২০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব অঞ্চলে সরকারের কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা সংশ্লিষ্ট এলাকায় পৌঁছেছেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকেও সহায়তা দেওয়া হয়েছে’ বলেন ত্রাণমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সোমবার পর্যন্ত শীতার্ত এলাকাগুলোতে ২৮ লাখ কম্বল ও ৮০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। প্রতি প্যাকেটে ১ হাজার ২০০ টাকার শুকনো খাবার আছে।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসের উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। আরো দুটিশৈত্য প্রবাহ আসছে। জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অসহায় শীতার্তদের পাশে বিত্তশালীদের দাঁড়াতে হবে। যে যেভাবে পারে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।’

তিনি বলেন, তেঁতুলিয়ায় সোমবার ৫০ বছরের সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পৌষের এমন শীতে কাঁপছে দেশ। বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র যারা বিতরণ করেন তারা হয়তো এবার বুঝতেই পারেনি এত শীত শুরু হবে। আমরা সরকারিভাবে বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেই এবার আগে থেকে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে আগেভাগেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যার কারণে সারা দেশে বিগত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার শৈত্যপ্রবাহ হলেও দেশের মানুষ বিপদে পড়েনি।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে শীতার্তদের কম্বল ও শুকনো খাবার বিতরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। তা ছাড়া শৈত্যপ্রবাহের সার্বিক পরিস্থিতি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন আমাদের প্রতিনিধিরা। শৈত্যপ্রবাহে প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তাদের অধিক যত্ন নেওয়ার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিরোধী রাজনীতিকদের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের শীতার্ত অসহায় মানুষদের পাশে না দাঁড়িয়ে কিছু ক্ষমতাবিলাসী রাজনীতিবিদ ঢাকায় বসে ফাঁকা আওয়াজ দিচ্ছেন। আপনাদের কাছে অনুরোধ, মায়াকান্না না করে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান।’

সার্বিক পরিস্থিতি জানার জন্য কেন্দ্রীয়ভবে একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে জানিয়ে মায়া বলেন, সরকারিভাবে একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। যেকোনো প্রয়োজনে ১০৭২৭২১২১৬৯ নম্বরে ফোন করলে সার্বিক তথ্য জানা যাবে এই নিয়ন্ত্রণকক্ষের। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফয়জুর রহমান এর প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে থাকবেন।

Print Friendly, PDF & Email
 

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password

%d bloggers like this: