রোজা রাখতে প্রয়োজনীয় খাবার

0
195

ডাঃ আলমগীর মতি

মাহে রমজান একটি পবিত্র মাস। এ মাসটি মুসলমান জনগোষ্ঠীর অত্যন্ত কাক্সিক্ষত একটি মাস। সুষ্ঠভাবে রোজা পালনে তাই প্রত্যেক রোজাদারের রয়েছে কিছু করণীয়। রোজা পালনের ক্ষেত্রে ভাজাপোড়া জাতীয় এবং গুরুপাক খাবার যতটা এড়িয়ে চলা যাবে, ততই মঙ্গল। তাতে বিপাক কাজ স্বাভাবিক গতিতে চলবে। পানি দেহের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ণ। এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। রা

তে শোয়ার আগে ঘরেই ১৫ থেকে ২০ মিনিট পায়চারি করুন। সেহরি এড়িয়ে না খেয়ে রোজ পালন করা ঠিক নয়। এতে রক্তে চিনির অসমতা দেখা দিতে পারে। ইফতারে পানি জাতীয় খাবার, যেমন- ডাব, স্যুপ, শসা, টক দইয়ের শরবত, লেবুর শরবত খেতে পারেন। ইফতারের পর রাতে পেট ভরে খাবেন না। এক-চতুর্থাংশ পেট খালি রাখুন।

সেহরি খাবেন হাতে সময় নিয়ে। শর্করার প্রধান উৎস ভাত। লাল চালের ভাতে ক্যালরি বেশি থাকে। এতে আঁশ থাকায় থায়ামিন অটুট থাকে, যা শরীরে শর্করা বিপাকে সাহায্য করে। লাল আটার রুটিতে রয়েছে ব্যাপক ক্যালরি। এটিও আঁশ ও থায়ামিনে ভরপুর।

ডায়াবেটিক রোগীরা রাতের খাবারে ৩টি পাতলা লাল আটার রুটি এবং সেহরিতে ১ কাপ ভাত খেতে পারেন। মাছ রক্তের ক্ষতিকর চর্বি কমাতে সাহায্য করে ও উপকারী চর্বি এইচডিএল বাড়ায়। মাছে ১৮-২০ শতাংশ প্রোটিন থাকে, য ওজন কমাতে সাহায্য করে। শসায় কোনো চর্বি নেই। তাই ওজন কমাতে শসা বেশি কার্যকর।

বরবটি, বেগুন, পটল, চাল ও কুমড়া ভিটামিন ও খনিজ লবণের উৎস। বেশি বেশি সবজি খাবেন। এগুলোয় ক্যালরি কম হওয়ায় ওজন কমাতে সাহায্য করে। ওজন কমানোর জন্য ঘন ডাল না খাওয়াই ভালো। শুধু মুগ অথবা মসুরির চেয়ে মিশ্র ডাল উপকারী। রমজানে শরীর ঠিক রাখতে এগুলোই বেশি উপকারী খাবার।

লেখক : হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক। ০১৬৭০৬৬৬৫৯৫, ০১৭১৬৫৬৪১০১

মতামত