মুগাবে হচ্ছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শুভেচ্ছাদূত!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জিম্বাবুয়ের ৯৪ বছর বয়সি প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দীর্ঘায়ু এই প্রেসিডেন্ট ৩০ বছর একহাতে জিম্বাবুয়ে শাসন করছেন। বার্ধক্যের ভারে ন্যুয়ে পড়া মুগাবে নানা বিতর্কের শিরোমণি। অভিযোগ রয়েছে, তার শাসনামলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পতিত হয়েছে।

অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রস আধানম গেব্রেইসাস (ইথিওপিয়ার নাগরিক) সংস্থার শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তার নাম প্রস্তাব করায় এ নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে জিম্বাবুয়ের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বক্তব্য দিয়েছিলেন গেব্রেইসাস।

মুগাবের সমালোচকদের অভিযোগ, গত ৩০ বছরে জিম্বাবুয়ের স্বাস্থ্য খাত জবুথবু অবস্থায় চলছে। প্রায়ই বেতন ছাড়া কাজ করতে হয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এবং ওষুধ সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।

জিম্বাবুয়ের মানবাধিকার আইনবিদ কোলটার্ট এক টুইটে প্রশ্ন তুলেছেন, যিনি নিজ দেশের স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করেছেন, তাকে কীভাবে শুভেচ্ছাদূত করার সিদ্ধান্ত নিল ডব্লিউএইচও? এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জিম্বাবুয়ের অনেকে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তাদের ভাষ্য, প্রেসিডেন্ট মুগাবে জিম্বাবুয়ের লোকজনের গড় আয়ুর চেয়ে তিন দশক বেশি বেঁচে আছেন, যিনি তার নিজের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। চিকিৎসার জন্য তিনি প্রায়ই সিঙ্গাপুর যান।

জিম্বাবুয়ের নাজুক মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে শুভেচ্ছাদূত হিসেবে মুগাবের মনোনয়নকে ‘উদ্ভট ও হতাশাজনক’ বলে অভিহিত করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। তাদের আশঙ্কা, এতে ডব্লিউএইচওর কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি অনলাইন

Print Friendly, PDF & Email
 

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password

%d bloggers like this: