মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে ? : ন্যাপ মহাসচিব

0
155

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু’র ভিপি নুরুল হক নুর ও তাঁর সহকর্মীদের ওপর বর্বর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, নিয়ন্ত্রনহীন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে ?

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামক অহেতুক চেতনাবাজদের কারনে পরবর্তী প্রজন্মের মনে আমাদের গৌরব আর অহংকারের ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিতে পারে বলে আশংকা তৈরী হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের ব্যানার ব্যবহার করে এসব নির্লজ্জ কর্মকান্ডের ঘটনার বিরুদ্ধে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জাতি আশাবাদী।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র সম্পাদকমন্ডলীর সভায় তিনি সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগঠনগুলোর প্লাটফর্ম বলে পরিচিত ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’। লক্ষ্য ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐকমত্য গঠন এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অধিকার আদায়’। কিন্তু এ মঞ্চের সাম্প্রতিক বিতর্কিত কর্মকান্ড নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তাদের এখনই নিয়ন্ত্রন করা না গেলে সরকারের জন্যই বুমেরাং হতে পারে। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন ক্ষুন্ন হচ্ছে তেমনই তাদের ক্ষমতার উৎস সম্পর্কেও জনমনে নানা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে প্রমানিত হচ্ছে দাবি আদায়ের কোনো কর্মসূচি পালনের চেয়ে হামলা-মারামারিতেই তারা লিপ্ত থাকছে বেশি। যা দেশবাসীকে রীতিমতো অবাক করেছে। এই মঞ্চই গত ৬ জুলাই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকেও বেইমান ও রাজকারের দোষর হিসাবে আখ্যায়িত করেছিল। কোন ষড়যন্ত্রকারী গোষ্টি তাদের ব্যবহার করে দেশে বিশৃংখল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্র করছে ? সরকারকে তা খুজে বের করতে হবে।

সভায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের আবারও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পূন: নির্বাচিত হওয়ায় তাদেরকে বাংলাদেশ ন্যাপ’র পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, দেশবাসীরমত আমাদেরও প্রত্যাশা তাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন ঘটবে। আগামী দিনে বাংলাদেশে মহান মুক্তিযেদ্ধের চেতনা গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পাবে এবং প্রতিষ্ঠিত হবে সুশাসন।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব মো. নুরুল আমান চৌধুরী, মো. আতিকুর রহমান, এহসানুল হক জসিম, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মো. শহীদুননবী ডাবলু, মো. কামাল ভুইয়া, মতিয়ারা চৌধুরী, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য এডভোকেট আবদুস সাত্তার, মো. শামিম ভুইয়া, সাদিয়া ইসলাম ইমন প্রমুখ।