মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’র স্মরণসভা জেনারেল ওসমানী ছিলেন আজীবন গণতন্ত্রী : মোস্তফা

0
147

মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী, যিনি জেনারেল এম এ জি ওসমানী নামেই পরিচিত। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি, গণতন্ত্রের আপোষহীন সৈনিক, আজীবন গণতন্ত্রী, নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক বলে অভিমত প্রকাশ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্রের বিকাশই ছিল তার আজীবন এক সাধনা। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং জাতির সংকটময় মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি হয়ে দেশকে আশু ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। জাতির সংকটময় মুহূর্তে তার মতো জাতীয় নেতা দেশে বড় প্রয়োজন ছিল।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। এ দেশ, এ জাতি তাঁর কাছে অপরিশোধ্য ঋণে আবদ্ধ। মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শপথ হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আগামী প্রজন্ম গড়ে উঠুক এবং তাঁর জীবন ও আদর্শ হোক আমাদের স্বপ্ন।

তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্র বিরোধী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা বিদ্রোহ করেছেন। অগণতান্ত্রীক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহনের সুযোগকে প্রত্যাখ্যান করেছেন বারবার। ওসমানীর গণতান্ত্রিক আদর্শই তাঁকে করেছে স্মরনীয় ও বরণীয় এক আদর্শ পুরুষ।

সংগঠনের সমন্বয়কারী আবদুল্লাহ আল মাসুমের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব মো. আতিকুর রহমান, এহসানুল হক জসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবি ডাবলু, প্রজন্মের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা সাহেদুর রহমান, সংগঠনের যুগ্ম সমন্বয়কারী গোলাম মোস্তাকিম ভুইয়া, স্বরজিৎ কুমার দ্বিপ, আবুল হোসেন, সীমা আক্তার প্রমুখ।