breaking news New

বাংলাদেশের খ্রিষ্টান যাজক ও পালকরা কেমন আছেনঃ রাজিব শর্মা

লেখকের কলম থেকেঃ দিনটি ছিল বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়দের স্মরনীয় দিন। গত ৭ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘জাতীয় পালক ও নেতৃত্ব সম্মেলন ২০১৫’। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েকশ পালক, পুরোহিত, ধর্মযাজক, সুসমাচার কর্মীরা সমবেত হয়েছিলেন। দিনের প্রারম্ভে প্রাতঃকালীন প্রার্থনায় পালক, পুরোহিত, যাজক ও সুসমাচারকর্মীগণ দেশের শান্তি, সৌহার্দ্য ও সমৃদ্ধিসহ কতকগুলো বিষয়ে নিবেদিতভাবে স্বর্গীয় ঈশ্বরের দরবারে তুলে ধরেছেন।
আজ ০৬/১০/২০১৮ সন্ধ্যা ৬ টায় আন্তর্জাতিক বিশ্ব লেখক সংস্থার ভিডিও কনফারেন্সে প্রোগ্রামে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যোগদান করেন তরুণ লেখক ও ক্রাইম প্রতিবেদক মিঃ রাজিব শর্মা। এবং তিনি ২০১৫ সাল থেকে বর্তমান বাংলাদেশের খ্রিষ্টীয় যাজক ও পালকদের নীরবে নির্যাতিত এর ভিডিও ডরমেন্টারি প্রকাশ করেন।

সহৃদয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে প্রার্থনার বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো_
১. রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেত্রী, মন্ত্রীবর্গ, স্পিকার, সাংসদবর্গ;
২. ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা;
৩. দেশবিরোধী কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও সংগঠনসমূহ;
৪. খ্রিস্টিয়ান বিরোধী কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও সংগঠন;
৫. চার্চ দাতা প্রতিষ্ঠান, বিদেশি মিশন প্রতিষ্ঠান;
৬. দেশে অবস্থিত বিদেশি দূতাবাস/ মিশন/ হাইকমিশন;
৭. দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানসমূহ;
৮. দুর্নীতি দমন কমিশন;
৯. মাদকাসক্ত যুবক/যুবতী;
১০. রাজনীতিমুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান;
১১. উচ্চ শিক্ষার সুযোগদানের জন্য;
১২. বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা;
১৩. অসৎ সঙ্গ ত্যাগের জন্য;
১৪. নির্যাতিত ও অবহেলিত নারী;
১৫. সর্বস্তরের নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা;
১৬. মন্ডলী, সমাজ ও জাতীয় জীবনের নারীর ক্ষমতায়ন;
১৭. আদিবাসী নারীদের জন্য সরকারের বিশেষ দৃষ্টি;
১৮. গ্রামীণ মন্ডলীসমূহ;
১৯. প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত পালক, প্রচারক ও সুসমাচার কর্মীর নিরাপত্তা;
২০. বিশ্বাসী ও মন্ডলী বৃদ্ধির জন্য;
২১. গ্রামীণ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডিসপেনসারী;
২২. সকল ডিনোমিনেশন, প্যারা চার্চ প্রতিষ্ঠান ও এনসিএফবি;
২৩. ডিনোমিনেশনের নেতৃবর্গ, পরিচালক ও কর্মকর্তা;
২৪. বাইবেল কলেজ, স্কুলসমূহ;
২৫. খ্রিস্টিয়ান মিশন স্কুল, কলেজসমূহ;
২৬. এনসিএফবি যুব বোর্ড, চার্চের যুব বিভাগ, যুব কর্মী;
২৭. বিপথগামী যুবকদের সুপথে আনয়নের জন্য;
২৮. ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনের জন্য;
২৯. খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের প্রতি আগ্রহ হওয়ার জন্য;
৩০. সরকারি চাকরি ও সুযোগদানের জন্য; ৩১. এনসিএফবি মহিলা বোর্ড, চার্চের মহিলা বিভাগ, মহিলা কর্মী;
৩২. বিপথগামী মহিলাদের সুপথে আনয়নের জন্য;
৩৩. বাংলার মাটিতে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য;
৩৪. অসম যোয়ালে বন্ধন ইত্যাদি সম্পর্কে।
ইতোপূর্বে ৯ মার্চ যে বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল, সেটিতেও উপরোক্ত বিষয়গুলো স্থান পেয়েছিলো_
ক. বিশ্বের বিশ্বাসীদের জন্য প্রার্থনা (বিশেষ করে সিরিয়া, মিশর, লেবানন, সুদান, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারাবিশ্ব);
খ. ওআইসি নেতৃবৃন্দের জন্য প্রার্থনা;
গ. বিভিন্ন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রার্থনা;
ঘ. যে সমস্ত বিশ্বাসী নির্যাতন ও হত্যার শিকার হয়েছে, সে সমস্ত পরিবারের জন্য প্রার্থনা;
ঙ. যারা আতঙ্কগ্রস্তভাবে জীবন যাপন করছে;
চ. ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য প্রার্থনা;
ছ. বিশ্বের পালক, পুরোহিত, বিশপ ও খ্রিস্টিয়ান নেতৃবৃন্দের জন্য প্রার্থনা;
জ. যে সমস্ত বিশ্বাসী অভুক্ত রয়েছে, পালিয়ে রয়েছে তাদের জন্য প্রার্থনা;
ঝ. সার্কের নেতৃবৃন্দের জন্য প্রার্থনা;
ঞ. জাতিসংঘের মহাসচিবসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের জন্য প্রার্থনা;
ট. রাষ্ট্রনায়কদের জন্য প্রার্থনা;
ঠ. আন্তজাতিক নেতৃবৃন্দের জন্য প্রার্থনা। খ্রিস্ট বিশ্বাসী পালক, পুরোহিত, ধর্মযাজক, সুসমাচার কর্মীরা বিশ্বাস করেন, একমাত্র চোখের জলের প্রার্থনার মাধ্যমেই পরিবার, সমাজ, দেশ ও বিশ্বকে পরিবর্তন করা যায়।

যাজক হত্যাচেষ্টা-১:’ফেইথ বাইবেল চার্চ’-এর ধর্মযাজক লূক সরকারকে হত্যা চেষ্টাঃ
বিগত ৫ অক্টোবর ২০১৫ পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার ‘ফেইথ বাইবেল চার্চ’-এর ধর্মযাজক লূক সরকারকে প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্বৃত্তরা জবাই করে হত্যা করতে উদ্যত হয়েছিলো; কিন্তু ব্যর্থ হয়ে পালিয়ে যায়। জানা যায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত রাকিবুল হাসান ও পলাতক রাকিবুল ইসলাম গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে ফোন করে লূক সরকারকে ধর্মবাণী শুনতে চান বলে জানান। ওইদিন সকালে তারা মোটরসাইকেলে লূক সরকারের বাড়িতে যান। ধর্মবাণী শোনার নামে তারা বাড়িতে এক ঘণ্টা অবস্থান করে আশপাশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। আবার ধর্মবাণী শোনার কথা বলে ৫ অক্টোবর সকালে রাকিবুল হাসান, রাকিবুল ইসলাম ও শাকিল হোসেন নামের আরও একজন লূক সরকারের বাড়িতে যান। লূক সরকার তাদের ধর্মবাণী শোনাতে থাকেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর দু’জন লূক সরকারের মুখ চেপে ধরেন। আর শাকিল গলায় ছুরি চালাতে থাকেন। যাজক লূক সরকার ওই যুবকের হাতের আঙুল কামড় দিলে যুবক হাত সরিয়ে নেন। তখন তিনি চিৎকার দেন। চিৎকার শুনে পাশের ঘর থেকে তার স্ত্রী ছুটে আসার চেষ্টা করলে যুবকদের একজন ওই ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। তার স্ত্রী ঘরের পেছনে থাকা আরেকটি দরজা দিয়ে বসার ঘরে গিয়ে দেখেন, তিন যুবক লূক সরকারকে চেপে ধরেছেন, শরীর রক্তাক্ত। তখন তার স্ত্রী চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে ওই যুবকেরা দৌড়ে বাইরে চলে যান। তারা মোটরসাইকেল নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ওই বাড়ির মালিকের গাড়িচালক তাদের ধাওয়া দেন। মোটরসাইকেল ফেলে যুবকেরা দৌড়ে একটি চলন্ত ইঞ্জিনচালিত নছিমনে উঠে পালিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে লূক সরকার অজ্ঞাতনামা তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সর্বশেষ আমরা জানতে পেরেছি যে, হত্যাচেষ্টার মামলায় পাঁচ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাদিহীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। গ্রেফতারকৃত যুবকেরা হলেন_ রাকিবুল হাসান ওরফে রাবি্ব (২২), জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া (৩৫), আবদুল আলিম (৩৬), শরিফুল ইসলাম ওরফে তুলিব (২২) ও আমজাদ হোসেন (৩০)। প্রথম চারজনের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলায়, আমজাদের বাড়ি সিরাজগঞ্জে।

যাজক হত্যাচেষ্টা -২ঃ সিলেট প্রেসবিটারিয়ান সিনড চার্চের যাজক রেভা. বি. বি. পেন্টিস্ কে হামলার চেষ্টা
১১ অক্টোবর রবিবার অপরিচিত ৪ জন যুবক মৌলভীবাজারস্থ সিলেট প্রেসবিটারিয়ান সিনড চার্চের যাজক রেভা. বি. বি. পেন্টিস্ বাসার উপস্থিত হন। তিনি ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না, তিনি ছিলেন হবিগঞ্জে একটি ধর্মীয় সভাতে। দরজার অপর প্রান্ত থেকে তার স্ত্রী অপরিচিত মুখ দেখলে, দরজা খুলতে রাজি হননি। তাদের আবেদন ছিলো, ‘আমরা গির্জায় মোমবাতি জ্বালাতে এসেছি’। রেভা. পেন্টিস্-এর স্ত্রী তাদের সাথে কথা দীর্ঘায়িত না করলে তারা আবার আসবেন বলে চলে যান। দুপুরের দিকে আবার তারা এসে রেভা. বি. বি. পেন্টিস্-এর খোঁজ নেন। এই সময় পর্যন্ত তিনি হবিগঞ্জ প্রত্যাবর্তন করেননি। উল্লেখ্য, মৌলভীবাজারস্থ খ্রিস্ট বিশ্বাসীরা বিকেল ৫ ঘটিকায় গির্জায় মিলিত হয়ে থাকেন। ওই যুবকেরা ঠিক গির্জার পূর্বে আবারো আসলে; পূর্বে অবহিত করা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তাদের গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। রোববার রাত্রে রেভা. বি. বি. পেন্টিস্ ক্রাইমকে কাঁপ কাঁপা গলায় বিষয়টি অবহিত করেন এবং প্রার্থনার অনুরোধ জানান। তিনি বারবার বলছিলেন, একমাত্র ঈশ্বরই আমাকে, আমাদের গির্জার বিশ্বাসীদের সমূহ বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন।

হত্যাচেষ্টা-৩ঃ একইদিনে বাংলাদেশ এসেমবিস্নজ অফ গড চার্চ’-এর যাজক স্টিভ এস. হামীককে হত্যাচেষ্টা
একই দিন (১১ অক্টোবর) রাতে সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ এসেমবিস্নজ অফ গড চার্চ’-এর যাজক স্টিভ এস. হামীমের ভাড়া বাসায় একদল দুর্বৃত্ত ঘেরাও করে এবং দরজায় নক করতে থাকলে তারা বাড়িওয়ালা ফোনে অবহিত করেন। বাড়িওয়ালা আশপাশের লোকজনকে অবহিত করলে দুর্বৃত্তরা সদলবলে স্থান ত্যাগ করে। জানা গেছে, ইতোপূর্বে ধর্মযাজক স্টিভ এস. হামীমকে বেশ কয়েকবার রাস্তায় যাতায়াতকালে মৌখিকভাবে হুমকি-ধমকি প্রদান করেছে। জানা যায়, ১২ তারিখ সকালে বাড়িওয়ালার সাথে যৌথভাবে ধর্মযাজক স্টিভ এস. হামীম স্থানীয় সাভার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

হত্যাচেষ্টা-৪: “বাংলাদেশ ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘ’-এর সাবেক আঞ্চলিক সভাপতি মি. দীপু মজুমদারের উপর উগ্রবাদীদের হামলা
মাননীয় স্পিকার,
আমরা আরো অবহিত হয়েছি যে, অক্টোবর ১২ তারিখ সোমবার রংপুর সদরে ‘বাংলাদেশ ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘ’-এর সাবেক আঞ্চলিক সভাপতি মি. দীপু মজুমদার ধর্মীয় উগ্রবাদীদের দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়েছেন। স্থানীয় বাজারে বাজার করতে গেলে ধর্মীয় উগ্রবাদীরা তার সাথে উপ্তত্ত কথাবার্তা বিনিময় করে বলেন যে, ‘লোকদের ধর্মান্তরিত করে অপরাধ করেছেন, আমরা আপনাকে শিক্ষা দিব’ ইত্যাদি। হাতে থাকা অস্ত্রে আঘাত করার জন্য এগিয়ে আসলে দীপু মজুমদারের অপর ভাই এগিয়ে আসলে এবং স্থানীয় লোকজনও সহযোগিতা করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় কিন্তু পুরো এলাকার খ্রিস্ট বিশ্বাসীরা আতংকিত হয়ে পড়েছেন। আরো আমরা জেনেছি যে, একদল অপরিচিত লোক অক্টোবর ৬ তারিখ কুষ্টিয়ার বল্লভপুর মিশনে গিয়ে গির্জার ফটো তুলে আসেন এবং পরক্ষণেই ওখানে থাকা একজন বিদেশি মিশনারির সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে মিশনারি তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে অস্বীকার করেন। বিষয়গুলো পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে খ্রিস্ট বিশ্বাসীদের মধ্যে ভয়ের চেহারা ফুটে উঠে। উপরিউক্ত ঘটনাগুলোতে খ্রিস্টীয় সমাজের নেতৃবৃন্দগণ অস্বস্তিবোধ করছেন।

বাংলাদেশের খ্রিস্টিয়ান যাজকদের নিয়ে ক্রাঃ ইনভেস্টিগেটর রাজিব শর্মার বার্তাঃ
মাননীয়, আন্তজাতিক লেখক সংঘের চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক লেখক ফোরাম অব জার্নালিস্ট, আন্তর্জাতিক ক্রাইম ইনভেস্টিগেটিভের চেয়ারম্যানের নিকট বিনীত অনুরোধ,বাংলাদেশের খ্রিস্টিয়ানদের যাজক, পালক ও শান্তিপ্রিয় খ্রিস্টিয়ানদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যম, অনলাইন পোর্টালসহ, সামাজিক সাইটগুলোতে ” বাংলাদেশ তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ করা হয়েছে বলে গুজব চড়াচ্ছে। আমি একজন ক্রাইম ইনভেস্টিগেটর হিসেবে বলতে পারি, “জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ” কথাটি যে লিখছে, আমি মনে করি তার মধ্যে শব্দ দুইটির যথার্থ জ্ঞান নিয়ে আমার সন্দেহ ওই লেখকদের প্রতি এবং আমার দৃষ্টিতে সারা বাংলাদেশে কোন খ্রিস্টিয়ান যাজক, পালক তো দূরের কথা একজন সাধারণ খ্রিস্টিয়ান ধারা অন্যকোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করছে বলে প্রমাণ নেই। এবং বাংলাদেশের খ্রিস্টিয়ানরা যতেষ্ট শান্তিপ্রিয়। কিন্তু বাংলাদেশের খ্রিস্টিয়ান যাজকরা কেমন আছেন তার কিছু তথ্য আপনাদের কাছে পৌছানো হলো। আপনারা তা তদন্ত বা খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ রইল। বাংলাদেশের খ্রিস্টিয়ান ধর্মযাজকগণ কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাস করেন না; আমরা বিশ্বাস করি, দেশ আমাকে কি দিয়েছে, সেটি বড় কথা নয়, দেশকে আমরা কি দিয়েছি, সেটিই বড় কথা।

একজন চারণ কবি মানুষের চরিত্র তুলে ধরেছেন এভাবে_
‘শৃঙ্খলা দেখেছি পিঁপড়ার মাঝে, যারা কখনো একজনকে পিছনে ফেলে আরেকজন সামনে যায় না;
একতা দেখেছি কাকের মাঝে, যারা একজন বিপদে পড়লে শতজন হাজির হয় ক্ষণিকের মধ্যে;
বিশ্বস্ততা দেখেছি কুকুরের মাঝে, যারা তার প্রভুর জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত;
স্বচ্ছতা দেখেছি কবুতরের মাঝে, যারা সরল মনে একজন অপরিচিত মানুষকে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বাস করে;
পরিশ্রম দেখেছি ঘোড়ার মধ্যে, যারা তার মনিবকে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ছুটে প্রতিবাদ করে না;
সমতা দেখেছি মৌমাছির মাঝে, যারা সকলে একত্রে মধু সংগ্রহ করে;
তবে আমি হিংসা, ক্রোধ, লোভ-লালসা, নিষ্ঠুরতা, অহংকার দেখেছি, সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের মাঝে।’
Mr. Rajib Sharma, Writer and Crime Investigator of Crime Patrol, The Crime And Ex. Editorial Asst of The News, bdnewstimes

মতামত দিন

0 Comments

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password

Register