প্রস্তুত রাঙামাটির ঈদ বাজার

মোঃ সাইফুল উদ্দীন,রাঙামাটি: ঈদের বাকি আর কিছু দিন। রহমত ও নাজাতের ২০টি রোজা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হলো কিছু দিন পরে হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুঁশি। ঈদের দিন নানা রঙের পোশাক পরে ঘুরাঘুরি করার মজাই আলাদা। পোশাক যখন ঈদের প্রধান চাহিদা তাই সে কাজটি আগে সেরে নিতে অনেকে ইতি মধ্য ছুটে চলেছে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে। আর এই ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে প্রস্তুত বিক্রেতারা।
দেশি বিদেশি নানা ধরনের এবং নানা ডিজাইনের পোশাক আনতে ব্যস্ত বিক্রেতারা। ক্রেতাদের চাহিদা বেশির ভাগ বিদেশের বিভিন্ন নামের পোশাক তাই বিক্রেতারা ক্রেতাদেরকে ধরে রাখতে চেষ্ঠা করছে তাদের চাহিদা মত পোশাক আনতে।
জুঁই কালেকশন’র স্বাতাধীকারি মোঃ সালা উদ্দিন জুয়েল বলেন, আমরা ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে জেমন্স ও বাচ্চাদের বিভিন্ন পোশাক এনেছি। আমরা এই কালেকশনের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্য রাখার চেষ্ঠা করছি। পাঞ্জাবি ১১০০ থেকে ২৪০০ টাকা, শার্ট ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকা, টিশার্ট ২০০ থেকে ৮৫০টাকা, জিমন্স প্যান্ট ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা, গাবাডিং প্যান্ট ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা, বাচ্চাদের বিভিন্ন পোশাক পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্য। এছাড়া ঈদ বাজারে ঘড়ি পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ১৮০০ টাকা, ব্যাল্ট ৪০০ থেকে ৭৫০ টাকা।
তিনি আরো বলেছেন, বাজার এখন মোটামুটি চলছে ভালো, তবে ১৫ রমজানের পরে ভালো বেচাকেনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ক্রেতাদের চাহিদা বুঝে আরো নতুন নতুন পোশাক আসতে পারে বলেও তিনি জানান।
আচল’র স্বাতাধীকারী মোঃ ইদ্রিজ বলেন, গত বছরের চেয়ে এই বছর বেচা কেনা ভালো হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আমরা ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে বিভিন্ন পোশাক আনার চেষ্ঠা করছি। তিনি জানান শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ১,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত, ত্রি পিস পাওয়া যাচ্ছে ১০০০ থেকে ৮৫০০ টাকা এবং লেহেঙ্গা পাওয়া যাচ্ছে ৩৫০০ থেকে ৮০০০টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে দেশি-বিদেশি পোশাক আরো আসতে পারে বলেন তিনি জানান।
ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় শোপিং মলে এইবার কিরণ মালা, পাখি পোশাক বাদে এসেছে খুঁশি, ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ত্রিডি। তবে রাঙামাটি বাজরে খুঁশি নামের পোশাক দেখা গেলেও অন্য নতুন নামের পোশাক দেখা যায় নি। বিক্রেতারা আশা করছে ক্রেতাদের চাহিদা থাকলে এমন পোশাকও আনা যেতে পারে।
রাঙামাটি বনরুপা বাজারে একাধীক দোকানের মালিক সাথে কথা বলে জানা যায়, এই বার বেচাকেনা আগের বারের থেকে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দেওয়া বিভিন্ন কর্মসূর্চী যদি এই ভাবে চলতে থাকে তবে বাজারে বেচাকেনার উপরে বিশাল প্রভাব পরতে পারে। তাই সকল ব্যবসায়ীরা এই রমজান সাথে ঈদ উপলক্ষে কোন রাজনৈতিক দলকে হরতাল-অবরোধ এর মত কর্মসূর্চী না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

Print Friendly, PDF & Email
 

Notice: Uninitialized string offset: 0 in /home/joynalbd/public_html/bdnewstimes.com/wp-content/themes/bdnewstimes/bothsidebar.php on line 160

0 Comments

Leave a Reply

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password

%d bloggers like this: