breaking news New

জঙ্গি ইশরাত জাহানের সঙ্গে আপনার কী সম্পর্ক : রাহুলকে যোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : “গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরে গিয়ে নামাজের ভঙ্গিতে বসতে গিয়েছিলেন রাহুল। বিষয়টি দেখতে পেয়ে মন্দিরের পুরোহিত তাকে তিরস্কার করে ঠিক হয়ে বসতে বলেন। এই জন্যই আমি বলি কোনও জিনিসের নকল করতে গেলে বুদ্ধির দরকার হয়।”

মঙ্গলবার গুজরাটের গান্ধীনগর লোকসভার অন্তর্গত ঘাটলোদিয়ায় একটি জনসভায় গিয়ে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে এই মন্তব্যই করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। পাশাপাশি এই অভিযোগও করেন, আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাহুল ভারতের মানুষকে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের থেকেও দেশের বড় শত্রু বলে অভিহিত করেছেন।

সন্ত্রাস দমনের প্রশ্নেও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন যোগী। এমনকী ২০০৪ সালে গুজরাটে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত ইশরাত জাহানের সঙ্গে রাহুলের কী সম্পর্ক ছিল তাও জানতে চান। প্রশ্ন করেন, “একজন জঙ্গি ইশরাত জাহানের সঙ্গে আপনার কী সম্পর্ক ছিল?”

কয়েকদিন আগে প্রয়াগরাজ থেকে বারাণসী পর্যন্ত গঙ্গাবক্ষে তিনদিনের নৌকা সফর করেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। সেসময় গঙ্গা তীরবর্তী বিভিন্ন জায়গার মানুষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি কয়েকটি মন্দিরেও যান। মঙ্গলবার সেই কথা উল্লেখ করে রাহুলের পাশাপাশি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাকেও কটাক্ষ করেন তিনি।

যোগী বলেন, “একমাত্র নির্বাচনের সময়েই ওনারা (রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা) মন্দিরে যান। কিন্তু, কোনও নির্বাচন না থাকলে ওনাদের কাছে আর মন্দিরে যাওয়ার সময় থাকে না। সম্প্রতি প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হওয়া কুম্ভমেলায় ২৪ কোটি মানুষ অংশ নিলেও সেখানে যায়নি কংগ্রেসের নতুন প্রজন্ম।”

প্রিয়াঙ্কার আসন্ন অযোধ্যা সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, নতুন কিছু কংগ্রেস নেতা (পড়ুন প্রিয়াঙ্কা) অযোধ্যা যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু, যখন সুপ্রিম কোর্টে রাম সেতু মামলার শুনানি চলছিল তখন তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জানিয়েছিল ভগবান রামের কোনও অস্তিত্ব নেই। আর তখন যারা রামের অস্তিত্ব মানতেন না তারাই তার জন্মভূমিতে যাওয়ার কথা বলছেন।

দুদিন আগেই ক্ষমতায় এলে দেশের ২০ শতাংশ মানুষকে বছরে ৭২ হাজার টাকা করে দেওয়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।

এপ্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাহুল গান্ধী এখন বলছেন দেশ থেকে গরিবি হঠাবেন। তবে তার আগে কংগ্রেসকে উত্তর দিতে হবে ৫৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও এটা আগে কেন করেনি। আসলে এতদিন তারা শুধুমাত্র মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দারিদ্রতা বাড়িয়েছে। যখন রাহুল গান্ধীর আব্বাজান প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন তিনি অভিযোগ করতেন, কেন্দ্র থেকে ১০০ টাকা পাঠানো হলে গরিবের কাছে ১০ টাকা পৌঁছায়। আসলে বিষয়টি তাকে ব্যাথা দিয়েছিল। কিন্তু এর প্রতিকার তিনি করতে পারেননি। তবে আমরা প্রযুক্তির সাহায্যে বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। ফলে পুরো ১০০ টাকাই এখন গরিবদের কাছে পৌঁছচ্ছে।”

মতামত দিন

0 Comments

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password

Register