চলছে ৪০দিন কর্মসূচী প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম দিনাজপুর খানসামায় দেখার কেউ নাই।

মোঃ তারিকুল ইসলাম চৌধুরী,খানসামা,(দিনাজপুর) প্রতিনিধি ঃ দিনাজপুর খানসামা উপজেলায় ৪০দিনের কর্মশৃজন কর্মসূচীর ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ইউপি প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(পি,আই,ও),সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তারা অসহায় মেহনতি মানুষের চোখের সামনে অপরাধ করছে। গোপন সূত্রে জানা যায় যে, খানসামা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুশীতল বাবু অসহায় শ্রমজীবি লোকদের “৪০দিনে কর্মসূচী” নিজ চামচা ও আত্মীয়করণের মাধ্যমে এ নামের তালিকা প্রনয়ন করেন। এর আগেও তফিজ উদ্দিন সাংবাদিক এই বিষয়গুলো তুলে ধরলেও প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নেন নাই। বিষয়টি দেখার কেউ নাই। অসহায় ৪০দিনের কর্মশৃজন কর্মসূচীর কর্মরত অসহায় শ্িরমকদের সাথে কথা বললে জানান কাজের শেষে আট দিন বা তারো বেশি দিন আমরা একসঙ্গে মেম্বারের হাতে টাকা পাই, আমাদের কোন চেকে সই দিতে হয় না। এই সময় ধান আর ভূট্টা কাটাই মাড়াই মৌসুম। লেবাররা এই সময় দিনে ৫শ’ টাকা থেকে ৭শ’টাকা দিন মুজুরিতে পাচ্ছেন আর এ জন্যই কর্মসূচীতে লেবার একেবারে কম। লেবারদের হাতে জব কার্ড নাই, ব্যাংক একাউন্ট চেক মেম্বারদের হাতে এবং তাদের সইও মেম্বাররা করে আসছেন। লেবার সর্দারসহ মেম্বাররা সহজে লেবারদের একাউন্টের চেকের টাকা সোনালী ব্যাংক থেকে সহজে উত্তোলন করছে বলে জানায় । অসহায় লেবারদের হাতে কোন ডকুমেন্টস না থাকায় উপজেলা ইউপি প্রশাসন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রশাসন,উপজেলা সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার ও কর্মি সহ এই সুযোগ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি করছেন বলে জানায় অসহায় ৪০দিনের কর্মসূচির লেবার সদস্যরা। এই ব্যাপারে ৪০দিনের কর্মশৃজন কর্মসূচির ভারপ্রাপ্ত সুপারভাইজার, (পি,আই,ও) সুশীতল বাবুর,খানসামা উপজেলা শাখা,খানসামা সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার অফিসে না থাকায় পক্ষে রেজাউল করিম (ক্যাশিয়ার), কাচিনিয়া সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার এবং পাকের হাটের সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার বিষয়টি সম্পূর্ন অস্বীকার করেন। উপজেলা পাকের হাট শাখার সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার তাচ্ছিল্ল্য করে বলেন আমার কাছে কোন তথ্য নেই, যান ঢাকার হেড অফিস এই তথ্য দিবে। সুশীতল বাবুকে ৪নং খামারপাড়া ইউপি’র ৪নং ওয়ার্ডের প্রকল্প সেক্রেটারী বাবু অলক চ্যাটার্যী ভারতে ভ্রমণ ভিসায় যাওয়ার এক মাস পার হয়ে গেলেও তার সইয়ে কিভাবে ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করছে জিজ্ঞাসা করলে এটি ব্যাংকের বিষয় বলে অস্বিকার করেন। সুশিতল বাবু লেবার উপস্থিতি কোন দিন কম হয় বলে স্বীকার করেন। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের ইউপি’র মেম্বারগণ শতভাগ উপ¯িথতি দেখিয়ে তিন প্রশাসনের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। অসহায় লেবার সহ সরকারকে ও ধোকা দিচ্ছে। সরেজমিনে উপজেলা ঘুরে লেবারদের সাথে কথা বললে জানা যায় সুশীতল বাবুর এই লম্বা দুর্নীতির হাতকে শক্তিশালি করেছেন উপজেলার কিছু অসাধু কর্মকর্তা, সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় লেবারদের সর্দার। এই বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেবুর রহমানকে অবগত করলে বিষয়টি দেখবে বলে জানায়।

0 Comments

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password

Register