করোনা মোকাবিলায় ‘জাতীয় ঐক্য’ সময়ের দাবী : বাংলাদেশ ন্যাপ

0
152

করোনার কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ সংকটে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া অত্যান্ত জরুরি। বৈশ্বিক মহামারী করোনা সংক্রমণ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষায় সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এ জন্য সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে নিয়ে ‘জাতীয় ঐক্য’ প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবী বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, করোনার কারণে জাতি হিসেবে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি। এর তীব্রতা এবং বিস্তৃতি আমাদের জাতিকে এখন এক মৌলিক আর দীর্ঘ দিনের অমীমাংসিত প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। আমরা কি এই বিপত্তি মোকাবিলার জন্য আবার জাতি হিসেবে ১৯৭১’র মত ঐক্যবদ্ধ হতে পারবো ? সরকার আর সরকারের বাইরে এখন সকলের এককাতারের অবস্থান তৈরি হয়েছে। সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক সব ভেদাভেদ ভুলে এখন সবার ‘জাতীয় ঐক্য’ গড়ে তোলার সময়।

নেতৃদ্বয় সরকার তথা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ‘জাতীয় ঐক্য’ বা ‘সর্বদলীয় ঐক্য’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার সবার বিচরণ সীমিত করে জনগনকে ঘরে আবদ্ধ রেখেই নিজের একক প্রচেষ্টায় এই বিপদ থেকে উত্তরণের পথ খুঁজছে। এতে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী জাতীয় প্রয়াসের সাথে একাত্ম হচ্ছে না। সবাই ঘরে থাকাটাই জাতীয় কর্তব্য পালন বলে মনে করছে এবং সরকার, চিকিৎসক আর প্রশাসনের উপর বাকি দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে।

তারা বলেন, জাতীয় ঐক্য বা সর্বদলীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সরকার আর ক্ষমতাসীন দলকেই এই উদ্যোগের কান্ডারি হতে হবে। তাদেরকে সকল রাজনৈতিক দলকে একই প্লাটফরমে এসে এই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য খোলা মন নিয়ে আহ্বান করতে হবে।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরো বলেন, আমরা সরকারকে সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী-শ্রমজীবী শক্তিসমূহকে সংঘবদ্ধ করার উদ্যোগ নেবার আহ্বান জানাচ্ছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই বাংলাদেশে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে মনে করি। মনে রাখতে হবে জাতির এই ক্রান্তিকালে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হলে রাজনীতির দৈন্যদশাই প্রমানিত হবে। রাষ্ট্র, সরকার, রাজনীতি তিনটি বিষয় জাতীয় দুর্যোগের সময় এক কাতারে আসতে হবে।