breaking news New

এবার চট্টগ্রামে প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

রাজিব শর্মা, (চট্টগ্রাম অফিস):
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে প্রিয়া সাহা বালার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করেছেন এক আইনজীবী।
রোববার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেম মো. নোমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আদেশের জন্য রেখেছেন।
মামলাটি দায়ের করেন চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী এএইচএম হাবিবুর রহমান আজাদ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রিয়া সাহা বালা গত ১৭ জুলাই হোয়াইট হাউজে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতায় অগ্রগতি’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৭টি দেশের ২৭ জন প্রতিনিধির একজন ছিলেন।
এর মধ্যে প্রিয়া সাহা বালা বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ সংখ্যালঘু গুমের শিকার হয়েছেন বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ করেছেন। এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, প্রিয়া সাহা বালা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের ব্যানারে ভুয়া পরিচয়ে ও পদবীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার করেছেন। যা সমগ্র বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত।
তিনি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেও ট্রাম্পের কাছে নিজেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দেন।
মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান আজাদ যুগান্তরকে বলেন, ‘আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী ধার্য তারিখে আদেশের জন্য রেখেছেন।’
তিনি বলেন, ‘প্রিয়া সাহা বালা দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছেন। এটি দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। দেশের চলমান সব উন্নয়ন, গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ত্ব ও অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলেও আমি এজাহারে উল্লেখ করেছি।’
প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে ১৬ দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।
বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের নেতা প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে তিন কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।
এর পর তিনি বলেন, এখন সেখানে এক কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।
ভিডিওতে দেখা গেছে, একপর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই সহানুভূতিশীল হয়ে ওই নারীর সঙ্গে হাত মেলান।
কারা এমন নিপীড়ন চালাচ্ছে? ট্রাম্পের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রিয়া সাহা বলেন, ‘দেশটির মৌলবাদীরা এসব করছে। তারা সবসময় রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে।’
প্রিয়া সাহার দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির বহু উদাহরণ সোশ্যাল মিডিয়া তুলে ধরছেন নেটিজেনরা।
বাংলাদেশ যেখানে ধর্মীয় সম্প্রীতির মডেল হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে সেখানে বিদেশ গিয়ে প্রিয়া সাহার এমন নালিশ দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে বলেও মনে করেন তারা।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে ১৬ দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।
বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে তিন কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।
এর পর তিনি বলেন, এখন সেখানে এক কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।
ভিডিওতে দেখা গেছে, একপর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই সহানুভূতিশীল হয়ে ওই নারীর সঙ্গে হাত মেলান।
কারা এমন নিপীড়ন চালাচ্ছে? ট্রাম্পের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রিয়া সাহা বলেন, ‘দেশটির মৌলবাদীরা এসব করছে। তারা সবসময় রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে।’
প্রিয়া সাহার দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির বহু উদাহরণ সোশ্যাল মিডিয়া তুলে ধরছেন নেটিজেনরা।
বাংলাদেশ যেখানে ধর্মীয় সম্প্রীতির মডেল হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে সেখানে বিদেশ গিয়ে প্রিয়া সাহার এমন নালিশ দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে বলেও মনে করেন তারা।

মতামত দিন

0 Comments

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password

Register