উত্তর পুকুরিয়া গ্রামের নিঃস্বার্থ সেচ্ছাসেবী বাদশাহ আলম কে নিয়ে অজানা কথা

0
413

লেখক : এ,কে,এম আজাদ

চতুর মুখি সম্পর্কের এক ব্যক্তিত্ববান পুরুষ বাদশাহ আলম। অসাধারণ একজন মানুষ। প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে তাহার গ্রহণযোগ্যতা ও নিবিড় সুসম্পর্ক।

তিনি নিজেও একজ শ্রমজীবী মানুষ হলে-ও,, সমাজের খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর,হতদরিদ্র কৃষক, শ্রমিকের অধিকার বাস্তবায়ন নিয়ে সমাজে তার পথ চলা।
সমাজের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিচার আচারে তার ভুমিকা অতুলনীয়। গ্রামে দীর্ঘ বছর ধরে চলা বিভিন্ন সমস্যার ইতি ঘটেছে তার হাত ধরে।

দীর্ঘ জীবনে সে তার নিজের জন্য কিছু করেনি,,বরং জীবনে উচ্চ শিখরে আরোহনের সুযোগ থাকলেও,, এসব কে তোয়াক্কা নাকরে সে মিশে আছে নিজ গ্রামের হতদরিদ্র ও নিরীহ মানুষের সাথে। তার দৈনন্দিন জীবনে বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেন মানুষে কল্যাণে ও গ্রামের মানুষের সমস্যা নিয়ে। সেচ্ছায় ছুটে যায় গ্রামের সমস্যা জড়িত মানুষে ধারে ধারে।তাই তার প্রতি মানুষের আছে অগাধ বিশ্বাস ও ভালবাসা।

মানুষের বিপদ আপদে তাহার ছুটে চলা যেন জন্মগত বিষয়। সমাজের অন্যায় অনিয়ম কখনো তাকে স্পর্শ করতে পারেনি,,বরং অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অগ্রনায়ক বলা চলে। সমাজে অসাধু পথভ্রষ্ট দুষ্কৃতকারী ও দালাল চক্রের আতংক ও বটে। প্রয়োজনে স্রোতের বিপরীতে চলে নিরদ্বিধায়।

সুষ্ঠু সুন্দর সমাজ গঠন ও নির্মাণে তার ভুমিকা উল্লেখযোগ্য।সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের জন্য তাহার অপরিসীম ভালবাসা।

তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি,,,নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনী তফসিল
ঘোষণার পূর্বে যখন প্রতিটি গ্রাম মহল্লায় নির্বাচনের আগাম হাওয়া বয়ে যায়,, ঠিক তখনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও প্রার্থীগণ সুবিধা নিতে বাদশাহ আলমের মত নিঃস্বার্থ সেচ্ছাসেবী মানুষের ধারে ধারে ধর্ণা দিতে আসে স্বার্থ নিয়ে। স্বার্থ লোভীরা ঠিক তাদের স্বার্থ আদায় করে জনপ্রতিনিধি হয়ে বসে যায় সিংহাসনে। কিন্তুু বাদশাহ আলমের মত মানুষরা ঠিক রয়ে যায়, তাদের কোন পরিবর্তন হয় না। তাদের খবর রাখার মত তখন আর কেউ থাকে না। বাদশাহ আলমের জীবনেও ইহার ব্যতিক্রম নই।

ভয়াবহ মহামারী নিয়ে পুরো বাংলাদেশ যখন দিশেহারা এবং সরকার কর্তৃক যখন লকডাউন জারি করা হয়। ঠিক তখনি তার নিজ গ্রামে লকডাউন কার্যকরিতা নিয়ে তার অবদান অনস্বীকার্য। বহিরাগতদের আনাগোনা বন্ধ করা থেকে শুরু করে এলাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন এনজিও সংস্থা কর্তৃক অসচেতন আচরণের প্রতি তার একক ভাবে জোরালো প্রতিবাদে
ইহার ইতি ঘটেছে। এছাড়াও এলাকায় দোকান পাড় খোলা রেখে তথা গণ জমায়েত সৃষ্টি না করার জন্য তার নিজ উদ্যোগে পদক্ষেপ প্রশংসনীয়।

উত্তর পুকুরিয়া গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন বলেন,, বাদশাহ আমার স্নেহের ছোট ভাই। আমার দেখা, দীর্ঘদিন ধরে সে সুখে দুঃখে এলাকার মানুষের সাথে মিশে আছে নিঃস্বার্থে।আমি তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।

বাদশাহ আলম বলেন, আমি জন্মের পর থেকে সুখে দুঃখে গ্রামের মানুষকে নিয়ে আছি।তারা আমার জীবনের সাথে
জড়িয়ে আছে এবং তাদের কে নিয়ে আমার জীবন চলা। জীবনের বাকীটা সময় সুখে দুঃখে তাদের কে নিয়ে থাকতে চাই।

পরিশেষে বাদশাহ আলমের মত নিঃস্বার্থ সেচ্ছাসেবী মানুষের দেশে মূল্যায়ন হওয়া দরকার।

বাদশাহ আলমের পরিচয়ঃ
নামঃ বাদশাহ আলম
পিতঃ আব্দুল আজিজ (চৌকিদার)
মাতাঃগুলচেহের বেগম
গ্রামঃরাজাপালং উত্তর পুকুরিয়া
পশ্চিম পাড়া)
আট ভাই দুই বোনের মধ্যে বাদশাহ আলম দ্বিতীয়।