আপন জুয়েলার্স ও রেইনট্রি কর্তৃপক্ষকে তলব

স্বর্ণ ও ডায়মন্ড জব্দের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের মালিক এবং অবৈধ মদ রাখার দায়ে হোটেল দ্য রেইনট্রির মালিককে তলব করেছে শুল্ক গোয়েন্দা সদর দফতর। সোমবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মঈনুল খান  এ তথ্য জানান।তিনি জানান, রোববার শুল্ক গোয়েন্দার অভিযানে ব্যাখ্যাহীনভাবে মজুদ করা স্বর্ণ ও ডায়মন্ড জব্দের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের মালিকদের তলব করা হয়েছে। ১৭ মে বেলা ১১টায় তাদের শুল্ক গোয়েন্দার কাকরাইলের সদর দফতরে কাগজপত্রসহ হাজির হতে বলা হয়েছে।

মঈনুল খান জানান, একই সময় দ্য হোটেল রেইনট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) মদ রাখার দায়ে সমন দেওয়া হয়েছে।

রোববার শুল্ক গোয়েন্দারা আপন জুয়েলার্সের গুলশান, উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কোয়ারের শাখায় অভিযান চালিয়ে ২৮৬ কেজি স্বর্ণ ও ৬১ গ্রাম ডায়মন্ড ব্যাখ্যাহীনভাবে মজুদ রাখার দায়ে সাময়িক জব্দ করে। এগুলো আইন অনুসারে সিলগালা করে তাদের হেফাজতে দেওয়া হয়।

গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারে অন্য আরেকটি শাখা বন্ধ পাওয়ায় সবার উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি করার নিমিত্তে সিলগালা করা হয়। তলবে সাময়িকভাবে জব্দ এই মূল্যবান সামগ্রী সরবরাহের বৈধতা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

অন্যদিকে দ্য রেইনট্রি হোটেলে শুল্ক গোয়েন্দারা ১০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করে। এ মদ উদ্ধারের সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বারের লাইসেন্স দেখাতে পারেনি। অবৈধভাবে বিদেশি মদ রাখার দায়ে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

গত ২৮ মার্চ জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই তরুণীকে ধর্ষণ করে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত ও তার বন্ধু। দিলদারের ছেলে শাফাত ও তার বন্ধু। ওই ঘটনায় ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় অভিযুক্ত সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের দেহরক্ষী ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার এক ছাত্রী।

এ ঘটনায় সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছে। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত নাঈম আশরাফসহ অন্য দু’জনকে শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মতামত দিন

0 Comments

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password

Register